স্টাফ রিপোর্টার (ঢাকা)
১২/১১/২০২৫ ইং
খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমানের বাংলাদেশে ফেরার ক্ষেত্রে কোনও আপত্তি নেই সে দেশের অন্তর্বর্তী সরকারের। শনিবার এমনটাই জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
শনিবার সকালেও খালেদার শারীরিক অসুস্থার কথা উল্লেখ করে সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করেন তারেক। সেখানে তিনি ইঙ্গিত দেন, এই পরিস্থিতিতেও তাঁর বাংলাদেশে ফেরার ক্ষেত্রে কিছু প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। এ অবস্থায় ইউনূসের প্রেসসচিব জানিয়ে দিলেন, তারেকের বাংলাদেশে ফেরার বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের তরফে কোনও আপত্তি নেই। সমাজমাধ্যম পোস্টে শফিকুল লেখেন, ‘এ ব্যাপারে সরকারের তরফে কোনও বিধিনিষেধ অথবা কোনও ধরনের আপত্তি নেই।’
বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা আগে থেকেই বেশ কিছু শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছেন। সম্প্রতি অসুস্থতা বৃদ্ধি পাওয়ায় তাঁকে ভর্তি করানো হয় হাসপাতালে। শুক্রবার থেকে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। শনিবার সকালে জানা যায়, তাঁর অবস্থা ‘অত্যন্ত সঙ্কটজনক’। শুক্রবার তাঁর সুস্থতা কামনা করে বাংলাদেশবাসীকে প্রার্থনা করার অনুরোধ করেন ইউনূসও। এই পরিস্থিতিতে তারেক সমাজমাধ্যমে একটি পোস্টে ইঙ্গিত দেন, খালেদা অসুস্থ থাকলেও তাঁর বাংলাদেশে ফেরার পথে কিছু প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। এ অবস্থায় অন্তর্বর্তী সরকারের এই বার্তা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।
বাংলাদেশে ফিরতে না-পারার বিষয়ে নিজের বাধ্যবাধকতা বোঝাতে গিয়ে তারেক লেখেন, ‘এমন সঙ্কটকালে মায়ের স্নেহস্পর্শ পাওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা যে কোনও সন্তানের মতো আমারও রয়েছে। কিন্তু তা বাস্তবায়নের জন্য আমার একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ নেই।’ বিষয়টিকে ‘স্পর্শকাতর’ বলে বর্ণনা করে তারেক এ-ও জানান, বাংলাদেশে ফিরতে না-পারার কারণ বিস্তারিত বর্ণনা তিনি করতে পারবেন না। তবে রাজনৈতিক বাস্তবতা প্রত্যাশিত পর্যায়ে পৌঁছোলেই তিনি মায়ের কাছে ফিরবেন।
শনিবার সকালেই জানা যায়, খালেদাকে প্রয়োজন হলে বিদেশে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করানোর কথাও ভাবা হচ্ছে। তবে বিকেলে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম জানান, এখনই বিদেশে যাওয়ার ধকল সামলানোর মতো অবস্থায় নেই খালেদা।
যোগাযোগ
বার্তা বিভাগঃ 01883-306048
ই-মেইল: shadhinsurjodoy@gmail.com
© ২০২৪ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | স্বাধীন সূর্যোদয় | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।