স্টাফ রিপোর্টার (ঢাকা)
২৬/০১/২০২৬ ইং
কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান বিশেষ ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকারের দুর্দান্ত প্রতাপে ক্ষমতা বলে দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করেছিলেন।২৪ শে জুলাই পট পরিবর্তনের সময় তার অধিনস্থ কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে তার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়। অভিযোগ ও প্রমাণের ভিত্তিতে জানা যায় জনাব আলী আকবর খান সাবেক চেয়ারম্যান বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড, তদন্তে যাচাই পূর্বক সত্যতা প্রমাণে অভিযুক্ত সাব্যস্ত হলে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড আইন ২০১৮ এর উপধারা ১২/৬অনুসারে এবং বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর বিধিমালা ২০২২ এর উপবিধি ১৩/২ মোতাবেক অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর হওয়ায় সরকার কর্তৃক কারণ দর্শানো ব্যতিরেকে বিভাগীয় ক্ষমতা বলে উক্ত চেয়ারম্যানকে নিজ দায়িত্ব হতে তাৎক্ষণিকভাবে অব্যাহতি প্রদান করা হয়। জনাব মোঃ আলী আকবর খানের উপর নির্ভরশীল মোসাম্মৎ সেহেলা পারভীন (৫৪)সিস্টেম অ্যানালিস্ট জনাব এ কে এম শামসুজ্জামান কে অবৈধ জাল সনদ তৈরি করার বিষয়ে সহযোগিতা করার জন্য তার নিকট হতে অবৈধ আর্থিক সুবিধা নিয়েছেন এবং উক্ত সুবিধা নেয়ার প্রেক্ষিতে ইহা প্রমাণিত হওয়ায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক গ্রেপ্তার হয়েছেন। তার স্ত্রী মোছাম্মৎ সাহেলা পারভীনকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়। উল্লেখ্য দুর্নীতি ও জালিয়াতির মাধ্যমে শত শত কোটি টাকা আত্মসাৎ করে মোসাম্মৎ সাহিলা পারভীন ও তার স্বামী সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী আকবর খান নামে বেনামে বহু ফ্ল্যাট ও গাড়ি বাড়ির মালিক। উক্ত অপরাধ বিভাগীয় ধারা মতে নিশ্চিত প্রমাণ হওয়ায় বিভাগীয় কার্যধারা অনুযায়ী মামলা সৃজন করা হয়। মামলা নং ১৬ /২০২৪।তদন্ত বোর্ড লিখিত মন্তব্য করেন যে নথিপত্র সাক্ষ্য পর্যালোচনা এবং অভিযুক্তের বক্তব্যে প্রতিীয়মান হয় যে বোর্ডে দীর্ঘকাল সনদ জালিয়াতির মত বেআইনি কার্যক্রম চলমান। ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের দোহাই ও ক্ষমতা বলে এতদিন বোর্ডের কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়নি। তিনি কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে তার স্ত্রী জেলা পারভীনের দ্বারা অপরাধ সংগঠিত করে নিজে ধরা ছোয়ার বাইরে থাকতে চেয়েছিলেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। তার স্ত্রী মোসাম্মৎ সেহেলা
পারভীনের অযাচিত সনদ জালিয়াতি কার্যক্রমে জড়িত বোর্ডের অসৎ কর্মকর্তাদের সাথে সম্পৃক্ততা থাকা সত্ত্বেও সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী একবার খান যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি, বিধায় প্রতিীয়মান হয় যে তিনি তার স্ত্রীকে সরকারি কাজে বেআইনি হস্তক্ষেপের সুযোগ করে দিয়ে নিজে আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন। সরকারি কাজে হস্তক্ষেপের সুযোগ করে দিয়েছেন তা সরকারি বিধিমালা বিধানের পরিপন্থী গুরুতর অপরাধ। এ বিষয়ে আদালতে মামলা তদন্তাধীন রয়েছে।নিরীহ কর্মকর্তা কর্মচারীরা এখনো আতঙ্কে ভুগছেন। মোছাম্মৎ সোহেলা পারভীন ও বরখাস্ত কৃত তাহার স্বামী জনাব মোঃ আলী আকবর খান (সাময়িক বরখাস্তকৃত) কর্তৃক হুমকি ধামকি ও হয়রানির হচ্ছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ।
কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান জনাব মোঃ আলী আকবর খান এর বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা আপিল) বিধিমালা ২০১৮ এর ৩(খ) বিধি মতে দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত।
অতি দ্রুত দুর্নীতির মামলা এবং তার ও স্ত্রীর চার্জশিট প্রদানপূর্বক শাস্তি কামনা করে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কর্মচারীবৃন্দ। প্রতিবেদকের দাবি দুর্নীতি দমন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।(চলবে)
যোগাযোগ
বার্তা বিভাগঃ 01883-306048
ই-মেইল: shadhinsurjodoy@gmail.com
© ২০২৪ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | স্বাধীন সূর্যোদয় | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।