মোঃ মোবারক হোসেন, দীঘিনালা প্রতিনিধি:
কেন্দ্রীয় যুবদল ও ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইসহাক সরকারের নতুন রাজনৈতিক দলে (এনসিপি) যোগদানের গুঞ্জন ঘিরে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তার ঘনিষ্ঠ এক কর্মী, সাজেক থানা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও সাবেক ছাত্রদল নেতা নাছির উদ্দীন পিন্টু।
ফেসবুকে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে নাছির উদ্দীন পিন্টু ইসহাক সরকারের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত সম্পর্ক, রাজনৈতিক পথচলা এবং নানা স্মৃতিচারণ তুলে ধরে গভীর দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, ২০১৬ সাল থেকে তাদের পরিচয় এবং ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। রাজনৈতিক সফর, ব্যক্তিগত আতিথেয়তা এবং পারস্পরিক যোগাযোগের নানা দিক তুলে ধরেন তিনি।
পোস্টে বলা হয়, ইসহাক সরকার একজন ত্যাগী নেতা হিসেবে জেল-জুলুম, মামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এমনকি কারাবন্দি অবস্থায়ও কর্মীদের খোঁজখবর নেওয়ার বিষয়টি তাকে আবেগাপ্লুত করেছে বলে জানান পিন্টু।
তিনি লেখেন, “বিএনপি একটি মহাসমুদ্রের নাম। সেখান থেকে দুই-একজন চলে গেলে দলের ক্ষতি না হলেও একজন ত্যাগী নেতার বিদায় কর্মীদের কষ্ট দেয়।” একই সঙ্গে তিনি ইসহাক সরকারের প্রতি ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর দল রাষ্ট্রক্ষমতায় এসেছে, এখনো পুরোপুরি সংগঠিত হতে সময় প্রয়োজন।
নাছির উদ্দীন পিন্টু আরও উল্লেখ করেন, মনোনয়ন না পাওয়া এবং পরবর্তীতে বহিষ্কারের ঘটনায় অনেক নেতার মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হলেও তা ধৈর্যের সঙ্গে মোকাবিলা করা উচিত ছিল। তিনি দলের শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রেখে বলেন, সময়মতো যথাযথ মূল্যায়ন আসবে।
এদিকে, অতীতে বিএনপি থেকে বেরিয়ে যাওয়া কয়েকজন শীর্ষ নেতার রাজনৈতিক অবস্থান উল্লেখ করে তিনি সতর্ক করেন যে, দলত্যাগীদের অনেকেই পরবর্তীতে রাজনৈতিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছেন।
পোস্টের শেষাংশে তিনি ইসহাক সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “ফিরে আসেন নিজ ঘরে। আমাদের নেতা তারেক রহমান সময়মতো আপনাকে মূল্যায়ন করবেন।”
উল্লেখ্য, ইসহাক সরকারের দল পরিবর্তনের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা পাওয়া যায়নি। তবে এ নিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে।
যোগাযোগ
বার্তা বিভাগঃ 01883-306048
ই-মেইল: shadhinsurjodoy@gmail.com
© ২০২৪ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | স্বাধীন সূর্যোদয় | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।