স্টাফ রিপোর্টার, কক্সবাজার
কক্সবাজার জেলার একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ম, প্রশাসনিক অসংগতি এবং নথি সংক্রান্ত জটিলতার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন সূত্র ও প্রাপ্ত নথিপত্র বিশ্লেষণে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কাঠামো, নিয়োগ প্রক্রিয়া এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনায় একাধিক প্রশ্নবিদ্ধ বিষয় রয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটিতে বোর্ড অনুমোদিত নিয়মিত ম্যানেজিং কমিটি না থাকলেও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে দাবি করা হচ্ছে। এছাড়া কথিত ট্রাস্টি বা বিকল্প কাঠামোর মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও পরিচালনা কার্যক্রম চলছে বলেও অভিযোগ রয়েছে, যা প্রচলিত শিক্ষা প্রশাসনিক বিধিমালার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
এদিকে নিয়োগ, রেজুলেশন ও বিভিন্ন প্রশাসনিক নথিপত্রে অসংগতি এবং সম্ভাব্য জালিয়াতির অভিযোগও সামনে এসেছে। স্থানীয়ভাবে দাবি করা হচ্ছে, কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও নিয়ম অনুসরণ যথাযথভাবে হয়নি।
সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো প্রধান শিক্ষকের বয়স সংক্রান্ত প্রশ্ন। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বয়স ৬০ বছর বা তার বেশি হয়ে থাকতে পারে—এমন দাবি উঠেছে, যা BANBEIS জরিপসহ বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে যাচাইযোগ্য বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এ অবস্থায় তার পদে থাকা আইনগতভাবে বৈধ কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
একইসাথে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে পূর্বে শিক্ষা বাণিজ্যসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে একাধিক তদন্ত আদেশ জারি হয়েছিল। তবে সেই তদন্তের সুপারিশ ও নির্দেশনার পূর্ণ বাস্তবায়ন হয়েছে কি না, তা নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়েছে।
স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহল বলছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের অনিয়ম চলতে থাকলে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ব্যাহত হয় এবং শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তারা দ্রুত একটি স্বচ্ছ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি বলে মনে করছেন শিক্ষাবিদ ও অভিভাবকরা। তারা আশা প্রকাশ করেছেন, অভিযোগগুলো গুরুত্ব সহকারে যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়।
যোগাযোগ
বার্তা বিভাগঃ 01883-306048
ই-মেইল: shadhinsurjodoy@gmail.com
© ২০২৪ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | স্বাধীন সূর্যোদয় | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।