মোঃ আব্দুস সালাম, জেলা প্রতিনিধিঃ
গত দুই দিন টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের ধলাই নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধের দুটি স্থান ভেঙ্গে গেছে। এতে কমলগঞ্জের সীমান্তবর্তী ইসলামপুর ইউনিয়নের ১২টি গ্রামসহ উপজেলার অন্তত ২৫টি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।
পাহাড়ি ঢল অব্যাহত থাকায় ধলাই নদীর পানি বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল ৯টায় বিপদসীমার ৩৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।
চ
এর আগে, গত বুধবার রাত ৯টায় ইসলামপুর ইউনিয়নের মোকাবিল এলাকায় এবং আজ বৃহস্পতিবার সকালে একই ইউনিয়নের গঙ্গানগরে ধলাই নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধে দুটি ভাঙন দেখা দেয়। এতে প্রবল বেগে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করায় ইসলামপুর ইউনিয়নের ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, শ্রীপুর, মোকাবিল, কোণাগাঁও, বেড়িগাঁওসহ ১৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়। এতে এলাকার ফসলি জমি ৩-৪ ফুট পানির নিচে তলিয়ে গেছে এবং পুকুর ও ফিশারির মাছ বানের জলে ভেসে গেছে।
উজানের এই ঢলে আদমপুর ইউনিয়নের পশ্চিম ঘোড়ামারা, বন্দেরগাঁও, ভানুবিল, উত্তরভাগ, জালালপুরসহ ১০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ইতোমধ্যে পানিবন্দি মানুষজন গবাদিপশুসহ বিভিন্ন উঁচু স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন। এদিকে একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও তিনটি প্রাথমিক বিদ্যালয় পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় সেগুলোতে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আসাদুজ্জামান এবং সহকারী কর্মকর্তা (ভূমি) রিয়াজ মাহমুদ, উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা ওমর ফারুককে সঙ্গে নিয়ে বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় ইউএনও বলেন, “আমাদের কাছে পর্যাপ্ত ত্রাণ রয়েছে। পানিবন্দি মানুষের মাঝে দ্রুত ত্রাণ বিতরণের সব ধরনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।”
বন্যা কবলিত এলাকার লোকজন দাবি জানিয়েছেন ইসলামপুরের মকাবিলে যে বাঁধ দুটি ভেঙ্গে গেছে এগুলা আগামী শুকনা সুজনে মজবুতভাবে করার জন্য ব্লগ দিয়ে এবং বর্তমানে বন্যায় যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যাতে তারা সরকারি সাহায্য পায় এটাই এলাকাবাসী দাবি জানিয়েছে।
যোগাযোগ
বার্তা বিভাগঃ 01883-306048
ই-মেইল: shadhinsurjodoy@gmail.com
© ২০২৪ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | স্বাধীন সূর্যোদয় | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।