1. mdkukon685@gmail.com : Abdus Salam : Abdus Salam
  2. news@gmail.com : IYASIN AHMED SHARIF : IYASIN AHMED SHARIF
  3. news_8@gmail.com : Mehedi Hasan Rana : Mehedi Hasan Rana
  4. news5@gmail.com : NAIMUL HAQUE : NAIMUL HAQUE
  5. news_3@gmail.com : Nazmul Hassan : Nazmul Hassan
  6. lukmanmiah2619@gmail.com : news_shadhin :
  7. news6@gmail.com : Sagor Talukder : Sagor Talukder
  8. news_11@gmail.com : Sajedur Rahman : Sajedur Rahman
  9. shadhinsurjodoy@gmail.com : স্বাধীন সূর্যোদয় : স্বাধীন সূর্যোদয়
  10. info@www.shadhinsurjodoy.com : স্বাধীন সূর্যোদয় :
সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০২:০১ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি:
স্বাধীন সূর্যোদয় অনলাইন পত্রিকায় আপনাকে স্বাগতম। সারাদেশে জেলা ও  উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহী হলে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করুন। হোয়াটসঅ্যাপ: ০১৮৮৩-৩০৬০৪৮

মুছাপুর ক্লোজার ও ডুবোবাঁধ নির্মাণের দাবি: নদীভাঙন থেকে উপকূল রক্ষায় স্থানীয়দের জরুরি আহ্বান

প্রতিবেদকের নাম :
  • প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬

মোহাম্মদ উল্য (কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি):


নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চর পার্বতী, চর হাজারী, মুছাপুর, চর দরবেশ, চর মসলিশপুর এবং পার্শ্ববর্তী ফেনীর দাগনভূঞা এলাকার নদীভাঙন দিন দিন ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। এতে নদীতীরবর্তী এলাকার বসতভিটা, কৃষিজমি, সড়কসহ বিভিন্ন স্থাপনা হুমকির মুখে পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্পের পাশাপাশি অবিলম্বে কার্যকর অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

 

স্থানীয়দের মতে, মুছাপুর ক্লোজার প্রকল্প এখনও একনেকের অনুমোদন না পাওয়ায় চলতি বছরে এর বাস্তবায়ন শুরু হওয়ার সম্ভাবনা অনিশ্চিত। ফলে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলেও তা সম্পন্ন হতে দীর্ঘ সময় লাগতে পারে। এই অবস্থায় উপকূলীয় জনপদের মানুষ তাদের জীবন-জীবিকা ও বসতভিটা রক্ষায় দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।

 

তাদের প্রস্তাব হলো, বাংলাবাজার সেতুর নিচে প্রায় ১৫ থেকে ২০ ফুট উচ্চতার একটি ডুবোবাঁধ (Submerged Weir) নির্মাণ করা হোক। তাদের ধারণা, এ ধরনের বাঁধ নির্মিত হলে অতিরিক্ত পানি বাঁধের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারবে, তবে জোয়ার-ভাটার তীব্র স্রোতের গতি কমে যাবে। এর ফলে নদীতীরবর্তী এলাকায় ভাঙনের চাপ হ্রাস পেতে পারে এবং বসতভিটা ও কৃষিজমি সাময়িকভাবে সুরক্ষা পেতে পারে।

 

তবে পানি উন্নয়ন ও নদী ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের অবকাঠামো নির্মাণের আগে অবশ্যই বিস্তারিত হাইড্রোলজিক্যাল, পরিবেশগত ও কারিগরি সমীক্ষা প্রয়োজন। যথাযথ সমীক্ষা ছাড়া কোনো স্থায়ী বা অস্থায়ী কাঠামো নির্মাণ করলে উজান-ভাটির অন্য এলাকায় বিরূপ প্রভাব পড়ার আশঙ্কাও থাকতে পারে।

 

স্থানীয়রা সরকারের প্রতি আবেদন জানিয়ে বলেন, নদীভাঙন কবলিত মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষায় জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে তারা মুছাপুর ক্লোজার প্রকল্প দ্রুত অনুমোদন ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণের পাশাপাশি অন্তর্বর্তী সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন।

 

উপকূলীয় জনপদের মানুষের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বাস্তব পরিস্থিতি পরিদর্শন করে বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে দ্রুত প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবে, যাতে নদীভাঙনের ভয়াবহতা কমিয়ে মানুষের জীবন, বসতভিটা ও কৃষিজমি রক্ষা করা সম্ভব হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

[bangla_date]

© ২০২৪-২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | স্বাধীন সূর্যোদয় | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট