
আবু রায়হান, মণিরামপুর(যশোর) প্রতিনিধিঃ
দুই কর্তৃপক্ষের ঠেলাঠেলিতে যাতায়ত ব্যবস্থা ঝুকিপূর্ণ হওয়ার শিরোনামে জাতীয় কয়েকটি পত্রিকায় সংবাদ প্রচারের পূর্বে উল্লেখিত সমস্যা সমাধানকল্পে মেরামতের মাধ্যমে কাজ দ্রুত করার আশ্বাস দিলেও গত সপ্তাহে দেওয়া সে কথা রাখলেন মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সম্রাট হোসেন।
এখনো পর্যন্ত ব্রিজটি সরেজমিনে দেখতে যাননি উপজেলা প্রকৌশলী বা মণিরামপুর পৌর প্রকৌশলী এমনকি সকল দায়িত্বে থাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কার্যালয় কর্তৃপক্ষ। তবে,সম্পূর্ণ অরক্ষিত এই সেতু দিয়ে ঝুকিপূর্ণ ভাবে প্রতিদিন নিয়মিত ভাবে শিশু,স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী সহ শতশত মানুষ পারাপার হচ্ছে! পায়ে হাটার পাশাপাশি বাইসাইকেল, মোটরসাইকেল,ভ্যান,ইজিবাইকের মতো বিভিন্ন তিন চাকার বাহন এ সেতু দিয়ে অনিরাপদ ভাবে চলাচল করছে। প্রায় দুই যুগ আগে নির্মিত এ সেতুর জন্য সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছে ব্রিজ সংলগ্ন কয়েকটি ছিন্নমূল পরিবারের ২ থেকে ৫ বছর বয়সী শিশু ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগামী কোমলমতি শিক্ষার্থীরা! এমনকি একটু অসাবধান হলেই প্রাপ্ত বয়স্করাও ব্রিজ থেকে পড়তে পারেন সরাসরি হরিহর নদীতে বলে অভিযোগ করেছেন একাধিক ভুক্তভোগী। দুঃখজনক হলেও সত্য যে,ঝুকিপূর্ণ ব্রিজের মেরামতের বিষয়ে জানতে গেলে মণিরামপুর পৌরসভা ও উপজেলা প্রকৌশলী শাখার কর্মকর্তারা একে অপরের দোষারোপে সাধারণ মানুষ হতাশা প্রকাশ করলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার আশারবানী শুনে সাময়িক আশ্বস্থ হলেও সে কথা না রাখাতে ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা এটা চরম দায়িত্বহীনতা বলে আখ্যায়িত করেছেন।
উল্লেখ্য,দীর্ঘদিনের (২২ বছর) এ সেতুটি ২০২২ সালে মণিরামপুর রাজগঞ্জ মোড়স্থ ব্রিজ নির্মানের সময়ে বাইপাস সড়ক হিসাবে উল্লেখিত ব্রিজটি ব্যবহারে অতিরিক্ত চাপের ফলে রেলিংয় সহ বিভিন্ন স্থানে ভাঙ্গন দেখা দেই। সে থেকেই এ সেতুটি আস্তে আস্তে চারপাশের রেলিং ভেংগে এখন চলাচলে সম্পূর্ন ঝুকি হয়ে পড়েছে।
উল্লেখিত সেতুটি যশোরের মণিরামপুর পৌরসভার মোহনপুর-তাহেরপুর ওয়ার্ডের তাহেরপুর মহাশ্বশান সংলগ্ন সংযোগস্থলের। যে অরক্ষিত সেতু পারাপারে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা প্রাইয় মৃত দেহ সৎকারে যাতায়ত করে। সেতুটি পৌরসভার পশ্বিম পার্শের ওয়ার্ডগুলোর জনসাধারণ মণিরামপুর বাজারে উঠে প্রয়জনীয় কাজগুলো দ্রুত মেটাতে পারে।
এ ছাড়াও কোমলমতি শিক্ষার্থী,আসে পাশের শিশু,বয়স্ক,সহ তিন চাকার যানবাহনের পারাপারে যে কোন সময় ঘঠতে পারে দূর্ঘটনা হতে পারে প্রাণহানি।