1. mdkukon685@gmail.com : Abdus Salam : Abdus Salam
  2. news@gmail.com : IYASIN AHMED SHARIF : IYASIN AHMED SHARIF
  3. news4@gmail.com : MEHEDI Hassan rana : MEHEDI Hassan rana
  4. news5@gmail.com : NAIMUL HAQUE : NAIMUL HAQUE
  5. news_3@gmail.com : Nazmul Hassan : Nazmul Hassan
  6. lukmanmiah2619@gmail.com : news_shadhin :
  7. news6@gmail.com : Sagor Talukder : Sagor Talukder
  8. shadhinsurjodoy@gmail.com : স্বাধীন সূর্যোদয় : স্বাধীন সূর্যোদয়
  9. info@www.shadhinsurjodoy.com : স্বাধীন সূর্যোদয় :
বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ০২:৩৯ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি:
স্বাধীন সূর্যোদয় অনলাইন পত্রিকায় আপনাকে স্বাগতম। সারাদেশে জেলা ও  উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহী হলে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করুন। হোয়াটসঅ্যাপ: ০১৮৮৩-৩০৬০৪৮

সুনামগঞ্জের ডিসি ইলিয়াসের বিরুদ্ধে বাণিজ্য মেলার ৬৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

প্রতিবেদকের নাম :
  • প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :এস ডব্লিউ সাগর তালুকদার


সুনামগঞ্জ শিল্প-পণ্য বাণিজ্য মেলার নামে ৬৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে শাস্তিমূলক বদলীর আদেশে প্রত্যাহার হওয়া জেলা প্রশাসক ড.মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়ার বিরুদ্ধে। কতিপয় পোষ্য সাংবাদিক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ নিজেদের মধ্যে এ টাকা ভাগ ভাটোয়ারা করে নিয়েছেন এমনটাই জানিয়েছেন বঞ্চিত ভূক্তভোগীরা। প্রাপ্ত ৬৫ লাখ টাকার মধ্যে ন্যায্য পাওনা ১০ লাখ টাকা থেকে বঞ্চিত রাখা হয়েছে সুনামগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থাকে। জানা যায়, ২০২৫ সালের ২৬ জানুয়ারি রবিবার সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এবং জেলা পুলিশের সহযোগিতায় সুনামগঞ্জ শিল্প-পণ্য বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন হয়। সুনামগঞ্জ শহরের ষোলঘরস্থ জেলা ক্রীড়া সংস্থার স্টেডিয়াম মাঠে অনুষ্ঠিত এই বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া। উদ্বোধন শেষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ বেনারসি মসলিন এন্ড জামদানী সোসাইটির ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সমর কুমার পাল। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া। সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার আ.ফ.ম আনোয়ার হোসেন খান পিপিএম, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও সুনামগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রেজাউল করিম, বিএনপি নেতা এডভোকেট শেরেনূর আলী,বিএনপি নেতা মুনাজ্জির হোসেন সুজন। সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ বেনারসি মসলিন এন্ড জামদানী সোসাইটির সভাপতি মঈন খান বাবলু। তিনি বক্তব্যে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন এবং সচেতনমহলের সহযোগিতা কামনা করেন। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া বলেন,মেলার আয়োজন নিয়ে অনেক ঝামেলা হয়েছে। কিন্তু আমরা সবাইকে বলেছি মেলায় কোনো প্রকার অপসংস্কৃতি হবে না। মেলা কর্তৃপক্ষ কিন্তু এদিকে খেয়াল রাখতে হবে। তিনি বলেন, গান-বাজনার শব্দ যাতে বাইরে না যায় সেই দিকটা বিবেচনায় রাখতে হবে। কারণ আশপাশ এলাকায় শিক্ষার্থী, রোগী ও শিশুরা রয়েছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব বিষয় গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করতে হবে। তিনি বলেন, এই মেলার মাধ্যমে স্থানীয় শিল্প-পণ্য সকল জায়গায় ছড়িয়ে পড়বে। এমনটাই চান মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা। স্থানীয় শিল্প-পণ্য এই মেলায় বাজারজাত হবে। তিনি বলেন, মেলায় আগতদের দ্বারা বা বিক্রয়ে প্যাকেট করে পলিথিনের ব্যবহার অবশ্যই পরিহার করতে হবে। সভা সঞ্চালনা করেন জেলা শিল্পকলা একাডেমির কালচারাল অফিসার আহমেদ মঞ্জুরুল হক চৌধুরী পাভেল”। স্থানীয় পত্র পত্রিকায় ও বিভিন্ন অনলাইন ভার্সনে এভাবেই মেলা উদ্বোধনের সংবাদটি পরিবেশন করা হয়। মেলায় বিভিন্ন স্থানীয় শিল্প পণ্য, হস্তশিল্প, পাটজাত পণ্য, তৈরি পোশাক, কৃষি পণ্য ও জীবনযাত্রার পণ্যসহ ১৫০টিরও বেশি স্টল বসে। খেলার মাঠে মাসব্যাপী বাণিজ্য মেলা আয়োজনের ফলে শিশু-কিশোরদের খেলাধুলা ও বিনোদনে বিঘœ ঘটায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এছাড়া, মেলায় অশালীন নৃত্য ও যাদু প্রদর্শনী নিয়ে অভিযোগ ওঠার প্রেক্ষিতে মেলা বন্ধের দাবিতে মানববন্ধনও হয়েছে একাধিকবার। ফেব্রæয়ারি মাসে রমজানের আগের দিন শেষ হয় মেলা। সবকিছু সকলের চোখের সামনে সম্পন্ন হলেও মেলা থেকে প্রাপ্ত ৬৫ লাখ টাকার লেনদেন ও ভাগ ভাটোয়ারা হয় গভীর সংগোপনে। এমনকি বিএনপি ও জামায়াত নেতাদের নিয়ে মেলার উদ্বোধন কার্যক্রম সম্পন্ন করলেও টাকার ভাগ ভাটোয়ারার ব্যাপারে রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ কিছুই জানেননা।
বাংলাদেশ বেনারসি মসলিন এন্ড জামদানী সোসাইটির ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সমর কুমার পাল উল্লেখ করে পত্রপত্রিকার উদ্বোধনের সংবাদ প্রকাশিত হলেও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সমর কুমার পাল বলেন,উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমি সভাপতিত্ব করিনি। আমি অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলাম। সকলকে সমন্বয় করে মেলা সম্পন্ন হয়েছে বলে জানি। তবে আর্থিক বিষয়টি আমার একেবারেই জানার বাইরে। জেলা ক্রীড়া অফিসার মোঃ সোহাগ মিয়া বলেন,আমি গত ৬ মাস আগে যোগদান করেছি। আমার যোগদানের আগে সুনামগঞ্জ শহরের ষোলঘর এলাকায় অবস্থিত জেলা ক্রীড়াা সংস্থার (স্টেডিয়াম) মাঠে ২০২৫ সালের ২৬ জানুয়ারি মাসব্যাপী শিল্প ও বাণিজ্যমেলা আয়োজন করা হয়েছিল বলে জানতে পেরেছি। তবে এই মেলা থেকে ক্রীড়া সংস্থার তহবিলে কোন আয় যোগ হয়েছে কিনা জানিনা। এ সময় অফিস সহকারী হিসেবে জাহাঙ্গীর আলম দায়িত্বে ছিল সে বিস্তারিত বলতে পারবে। জেলা ক্রীড়া সংস্থার অফিস সহকারী জাহাঙ্গীর আলম,সুনামগঞ্জ শহরের ষোলঘর নিবাসী ১নং ওয়ার্ডের সাবেক পৌর কাউন্সিলর হোসেন আহমদ রাসেলের ভাতিজা। বর্তমানে উক্ত জাহাঙ্গীর আলম ক্রীড়া সংস্থায় কর্মরত নন উল্লেখ করে,সাংবাদিকদের বলেন, ৫ আগস্টের আগে যতবার মেলা হয়েছে মোটামোটি ভালো এমাউন্ট ক্রীড়া সংস্থার ব্যাংক হিসাবে যোগ হয়েছে এবং এ টাকায় আমরা প্রতিবছর ক্রিকেটসহ বিভিন্ন টুর্নামেন্ট পরিচালনা করেছি। সংস্থার উন্নয়নে সক্রিয় অবদান রেখেছি। মেলা থেকে কত টাকা আয় হয়েছে এটা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি হিসেবে ডিসি স্যারই ভালো বলতে পারবেন। জেলা ক্রীড়া সংস্থার তৎকালীন কোষাধ্যক্ষ সাবেক পৌর কাউন্সিলর বিএনপি নেতা আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, মোট ১ মাস ৯দিনের মেলা হয়েছিল। আয়োজক বাংলাদেশ বেনারসি মসলিন এন্ড জামদানী সোসাইটির সভাপতি মঈন খান বাবলু জেলা প্রশাসক এর কাছে ৬৫ লক্ষ টাকা প্রদান করেছে বলে জানতে পেরেছি। কিন্তু কাগজেপত্রে নাকি দেখানো হয়েছে ৩৫ লক্ষ টাকা। এর হিসাব সাংবাদিকরা তথ্য অধিকার আইনে চেম্বার অব কমার্স এর কাছে চেয়ে নিতে পারেন। ঐ মেলা থেকে জেলা ক্রীড়া সংস্থার পাওনা ছিল ১০ লক্ষ টাকা। কিন্তু সুনামগঞ্জ সোনালী ব্যাংক ও জনতা ব্যাংকে ক্রীড়া সংস্থার দুটি ব্যাংক হিসাব রয়েছে সেখানে কোন হিসাবেই এক টাকা জমা দেয়া হয়নি। আব্দুল্লাহ আল নোমান,সুনামগঞ্জ স্টেডিয়ামে মাটি ফেলার কথা বলে ক্রীড়া কর্মকর্তার কাছ থেকে জোরপূর্বক চেকবইয়ে স্বাক্ষর নিয়ে ২ লক্ষ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে উল্লেখ করে বলেন,এক কোদাল মাটি ফেলা হয়নি স্টেডিয়ামে। এছাড়া স্টেডিয়াম গ্যালারী সংলগ্ন দোকান ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার নিজস্ব দোকানকোটা ভাড়া থেকে আয়ের টাকার ব্যায়ের কোন হিসাব নেই বর্তমান এডহক কমিটির কাছে। ৫ আগস্টের আগে ক্রীড়া সংস্থার তহবিলে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রাপ্ত আয় থেকে প্রায় সাড়ে ১৬ লক্ষ টাকা সাবেক সেক্রেটারী দেওয়ান এমদাদ রাজা চৌধুরী রেখে এসেছিলেন। বর্তমানে ব্যাংক হিসাবগুলোতে কোন টাকা না থাকায় নাইটগার্ড দারোয়ানসহ ৩ জন কর্মচারীর বেতন পরিশোধে কর্তৃপক্ষ হিমসীম খাচ্ছেন বলেও জানা গেছে। কয়েকজন সাংবাদিকের সাথে আলাপ করে জানা যায়,জেলা শহরের কয়েকটি সাংবাদিক সংগঠনের নেতারা ষোলঘর কলোনী মাঠে মেলা আয়োজনের জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন নিবেদন করেন। জেলা প্রশাসক ড.মোঃ ইলিয়াস মিয়া অনেক সংগঠন মেলা করতে চায় সকলকে সমন্বয় করে কিছু করা যায় কিনা আমি সেই প্রচেষ্টা নেব বলে সাংবাদিক নেতাদের আশ্বস্থ করেন। পরে মেলা ঠিকই হয় এবং মেলা বিক্রয় করে দেন সিলেটের আলোচিত ব্যবসায়ী মইন খান বাবলুর কাছে। কিন্তু প্রতিশ্রæতি থাকলেও সাংবাদিক সংগঠনগুলোকে বঞ্চিত করে পোষ্য সাংবাদিকদেরকে ভাগ ভাটোয়ারায় শরিক করেন জেলা প্রশাসক। সুনামগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি পদের নাম ভাঙ্গিয়ে লতিফুর রহমান রাজু ও সুনামগঞ্জ প্রেসক্লাবের সেক্রেটারী পদের প্রভাবে মাসুম হেলাল ঐ মেলা থেকে মোটা অংকের টাকা পকেটস্থ করেছে বলে সাংবাদিকরা জানান। ৬৫ লাখ টাকার মধ্যে কোন প্রতিষ্ঠানকে কত টাকা প্রদান করেছেন জানতে চেয়ে জেলা প্রশাসক ড.মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়াকে তার সরকারী মুঠোফোনে কল করলে তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য জানা যায়নি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  

[bangla_date]

© ২০২৪-২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | স্বাধীন সূর্যোদয় | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট