
মোঃ রায়হান মিয়া,কচুয়া ( চাঁদপুর) প্রতিনিধি:
১৯৯৬ সালের স্মৃতিতে ফিরে তাকালে আজও গর্বের সঙ্গে উচ্চারিত হয় এক তরুণের নাম—মোঃ খোরশেদ আলম শিকদার।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এর রোভার স্কাউটস এর নিজ বিভাগের দলনেতা ( সিনিয়র রোভার মেট) হিসেবে তিনি যেমন ছিলেন নেতৃত্বে অনন্য, তেমনি পড়াশোনায় কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখে ক্লাসের ফার্স্ট বয় হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। ক্লাসে তিনি ছিলেন সিআর বা ক্যাপ্টেন।
শিক্ষা জীবনের সেই সময়েই তাঁর মধ্যে ফুটে ওঠে শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ ও মানবিকতার অনন্য সমন্বয়। বিশ্বিবদ্যালয়ের নিজ বিভাগে রোভার স্কাউটস কার্যক্রমে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে সংগঠন পরিচালনা, দলগত কাজ ও সমাজসেবার যে শিক্ষা লাভ করেন, তা পরবর্তী জীবনে তাঁকে গড়ে তোলে আরও পরিণত ও দৃঢ়চেতা মানুষ হিসেবে।
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার হরিপুর গ্রামের মরহুম কফিলউদ্দিন শিকদার এর এই কৃতি সন্তান পরবর্তীতে সাংবাদিকতা পেশায় যুক্ত হয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন একজন সাহসী, সৎ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিক হিসেবে। তথ্যনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন, অনুসন্ধানী দৃষ্টিভঙ্গি এবং সমাজের অসংগতি তুলে ধরার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান সাংবাদিক জগতে তাঁকে এনে দিয়েছে বিশেষ মর্যাদা। আজ তিনি সাংবাদিক জগতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসেবে পরিচিত।
মেধা, নেতৃত্ব ও নৈতিকতার সমন্বয়ে গড়া মোঃ খোরশেদ আলম শিকদারের জীবন গাথা নতুন প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।
১৯৯৬ সালের সেই রোভার স্কাউটস দলনেতা আজও কচুয়া তথা দেশের মানুষের কাছে অনুপ্রেরণার নাম—মোঃ খোরশেদ আলম শিকদার। যিনি প্রমাণ করেছেন, সঠিক পথে অবিচল থাকলে সাফল্য ও সম্মান দুটোই অর্জন করা সম্ভব।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রোভার স্কাউট ডেনে বোর্ডের ৪১ নম্বরে তাঁর নামটি এখনও রয়েছে। স্কাউট ডেনে খোরশেদ আলম শিকদারের নামটি দেখে গর্বে মন ভরে যায়। সাংবাদিক খোরশেদ আলম শিকদারের এ কৃতিত্ব গোটা চাঁদপুর জেলা ও কচুয়ার।