1. mdkukon685@gmail.com : Abdus Salam : Abdus Salam
  2. news@gmail.com : IYASIN AHMED SHARIF : IYASIN AHMED SHARIF
  3. news4@gmail.com : MEHEDI Hassan rana : MEHEDI Hassan rana
  4. news5@gmail.com : NAIMUL HAQUE : NAIMUL HAQUE
  5. news_3@gmail.com : Nazmul Hassan : Nazmul Hassan
  6. lukmanmiah2619@gmail.com : news_shadhin :
  7. news6@gmail.com : Sagor Talukder : Sagor Talukder
  8. shadhinsurjodoy@gmail.com : স্বাধীন সূর্যোদয় : স্বাধীন সূর্যোদয়
  9. info@www.shadhinsurjodoy.com : স্বাধীন সূর্যোদয় :
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ০৩:২১ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি:
স্বাধীন সূর্যোদয় অনলাইন পত্রিকায় আপনাকে স্বাগতম। সারাদেশে জেলা ও  উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহী হলে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করুন। হোয়াটসঅ্যাপ: ০১৮৮৩-৩০৬০৪৮

শ্রীমঙ্গলে গণমাধ্যম কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা: নিন্দা ও প্রত্যাহারের দাবি

প্রতিবেদকের নাম :
  • প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬

ইয়াসিন আহমেদ শরিফ স্টাফ রিপোর্টার মৌলভীবাজার:


মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ ও জাতীয় দৈনিক খোলা কাগজের মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি মো. এহসানুল হকের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার আবেদনে উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন সহকর্মী সাংবাদিকবৃন্দ ও সচেতন মহল।

জানা যায়, জনৈক আলতাফুর রহমান ওরফে নাজমুল হাসান মৌলভীবাজারের বিজ্ঞ যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ (চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার) আদালতে এ লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগটি একটি প্রকাশিত সংবাদকে কেন্দ্র করে করা হয়েছে, যেখানে বিভিন্ন ক্ষুব্ধ ব্যক্তির বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে।

সাংবাদিকতার মূল নীতি অনুযায়ী, একজন গণমাধ্যমকর্মীর দায়িত্ব হলো মানুষের অভিযোগ, মতামত ও বাস্তব পরিস্থিতি নিরপেক্ষভাবে তুলে ধরা এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য সংগ্রহ করে তা প্রকাশ করা। মো. এহসানুল হক তার প্রতিবেদনে ঠিক এই দায়িত্বই পালন করেছেন বলে সহকর্মীরা উল্লেখ করেন। প্রতিবেদনে তার ব্যক্তিগত কোনো মতামত বা পক্ষপাতিত্ব ছিল না; বরং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্যই যথাযথভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে একজন দায়িত্বশীল ও প্রতিষ্ঠিত সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরকে অনেকেই মত প্রকাশের স্বাধীনতার ওপর হুমকি হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ স্বাধীন সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের স্বাভাবিক কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে এবং ভবিষ্যতে সাংবাদিকদের মধ্যে ভীতি তৈরি করতে পারে।

সাংবাদিক সমাজের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “একজন পেশাদার গণমাধ্যমকর্মীর বিরুদ্ধে এ ধরনের মামলা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং অগ্রহণযোগ্য। এটি কেবল একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়, বরং সমগ্র সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর আঘাত।”

তারা অবিলম্বে এ মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন এবং ভবিষ্যতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের হয়রানি না করার আহ্বান জানিয়েছেন।
সচেতন মহল মনে করে, একটি গণতান্ত্রিক সমাজে মুক্ত ও স্বাধীন সাংবাদিকতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই গণমাধ্যমকর্মীদের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক পদক্ষেপ পরিহার করে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে কাজ করার পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।

শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ ও দৈনিক খোলা কাগজের জেলা প্রতিনিধি মো. এহসানুল হক বলেন, গত ২৬ অক্টোবর তিনি “আলতাফুরের কাছে জিম্মি এলাকাবাসী” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ করেন। এর জের ধরে আলতাফুর রহমান ওরফে নাজমুল হাসান তার বিরুদ্ধে ৪ এপ্রিল একটি মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেন। তিনি জানান, সংবাদ প্রকাশের পর নাজমুল ফেসবুকে তার বিরুদ্ধে মানহানিকর পোস্ট করলে বিষয়টি তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন। কিন্তু কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় নাজমুল আরও বেপরোয়া হয়ে এই অভিযোগ দায়ের করেন। তিনি প্রশ্ন রাখেন, তাহলে সাংবাদিকরা কি স্বাধীনভাবে সংবাদ প্রকাশ করতে পারবে না? পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন, নাজমুল এলাকাবাসীর সঙ্গে প্রতারণা করেছে।

অপরদিকে আলতাফুর রহমান ওরফে নাজমুল হাসান কে মুঠোফোনে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে গত ২৬ অক্টোবর যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং বানোয়াট। এলাকার কিছু লোক আমার বিরুদ্ধে নানা অপ্রচার করে। তারা আমার বিরুদ্ধে সাংবাদিক এহসানুল হককে দিয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করায়। আমি মিথ্যা বানোয়াট সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে একটি সংবাদের প্রতিবাদ জানাতে উনার দারস্থ হই কিন্তু তিনি তা করেন নি। আমি এ ব্যাপারে শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের সভাপতিকেও জানিয়েছি।

শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল হাই ডন এর সাথে আলাপ হলে তিনি জানান, এহসানুল হক যে সংবাদ প্রকাশ করেছে তা এলাকাবাসীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে। এটা একজন সাংবাদিকের দায়িত্ব। তবে আলতাফুর রহমান ওরফে নাজমুল হাসান আমার সাথে যে দেখা করেছেন তিনি এই সংবাদের প্রতিবাদ লিপি লেখার ব্যাপারে আমাকে কিছু বলেন নি।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে তীব্র নিন্দা প্রকাশ করছেন। তারা এটিকে একটি মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা উল্লেখ করে অবিলম্বে তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি অনেকেই মত প্রকাশ করেছেন যে, এ ধরনের ঘটনা স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য হুমকিস্বরূপ এবং এর সুষ্ঠু সমাধান জরুরি।

শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের যুগ্ম-সম্পাদক ও যুগান্তরের শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি সৈয়দ আবু জাফর সালাউদ্দিন তার ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়ে বলেন, মো. এহসানুল হকের মতো একজন সুপ্রতিষ্ঠিত গণমাধ্যমকর্মীর উপর এ মামলার আবেদনের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। সংবাদপত্র ও স্বাধীন সাংবাদিকতার উপর এ মামলার আবেদন মত প্রকাশের স্বাধীনতার জন্য একটি বিপজ্জনক বার্তা। অবিলম্বে এ মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি।

জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মৌলভীবাজার জেলা’র সভাপতি ও দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকার শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি শফিকুল ইসলাম রুম্মন এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন এ মামলা প্রত্যাহার করা হোক। এবং একজন পেশাগত সাংবাদিকের উপর এ মিথ্যা মামলা পুরো সাংবাদিকদের উপর বর্তায়। তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে কাজ করার জন্য সরকারের আরও সহনশীল হওয়ার দরকার।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

[bangla_date]

© ২০২৪-২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | স্বাধীন সূর্যোদয় | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট