1. mdkukon685@gmail.com : Abdus Salam : Abdus Salam
  2. news@gmail.com : IYASIN AHMED SHARIF : IYASIN AHMED SHARIF
  3. news4@gmail.com : MEHEDI Hassan rana : MEHEDI Hassan rana
  4. news5@gmail.com : NAIMUL HAQUE : NAIMUL HAQUE
  5. news_3@gmail.com : Nazmul Hassan : Nazmul Hassan
  6. lukmanmiah2619@gmail.com : news_shadhin :
  7. news6@gmail.com : Sagor Talukder : Sagor Talukder
  8. shadhinsurjodoy@gmail.com : স্বাধীন সূর্যোদয় : স্বাধীন সূর্যোদয়
  9. info@www.shadhinsurjodoy.com : স্বাধীন সূর্যোদয় :
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ০৩:২২ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি:
স্বাধীন সূর্যোদয় অনলাইন পত্রিকায় আপনাকে স্বাগতম। সারাদেশে জেলা ও  উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহী হলে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করুন। হোয়াটসঅ্যাপ: ০১৮৮৩-৩০৬০৪৮

নির্মানের ৫ দিন না যেতেই হাতের টানেই উঠে যাচ্ছে সড়কের পি

প্রতিবেদকের নাম :
  • প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬

শান্ত দে দুর্গাপুর (নেত্রকোণা) প্রতিনিধি :-


স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে দুর্গাপুর ইউনিয়নের চারিয়া মাসকান্দা থেকে মাকড়াইল বাজার পর্যন্ত নির্মিত হচ্ছে গুরুতপূর্ণ এই সড়কটি।

সড়কে অন্যান্য কাজ শেষ হওয়ার পরেই চলমান ছিলো পিচ ঢালাইয়ের কাজ। পাঁচদিন হয় শেষ হয়েছে পিচ ঢালাইয়ের কাজ।

এরই মধ্যে হাতের টানেই উঠে যাচ্ছে রাস্তার পিচ। নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় স¤প্রতি সংস্কার কাজ শুরু হলে খুশি হন এলাকাবাসী। তবে কাজ শেষ না হতেই দেখা দিয়েছে অনিয়ম।

শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হাতের টানেই উঠে যাচ্ছে সড়কের পিচ ঢালাই। এমন চিত্র দেখে হতাশ স্থানীয়রা। তাদের আশঙ্কা, দায়সারাভাবে কাজ করায় সড়কটি বেশিদিন টেকসই হবে না। কৃষকদের উৎপাদিত ফসল পরিবহনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এমন নিম্নমানের কাজ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। এর দায়ভার কার ? এমন প্রশ্নই এলাকাবাসীর।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এর আওতায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ১ কোটি ৩৮ লাখ ৫ হাজার টাকা ব্যয়ে কাজটি পায় মেসার্স তাজ উদ্দিন ফরাস নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। যার কার্য মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা চলতি বছরের আগস্ট মাসে। ইতোমধ্যে চলমান কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কাউকে ওই এলাকায় পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, এই রাস্তা দিয়ে মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল-কলেজ, হাটবাজার সহ সব জায়গায় যাতায়াত করতে হয়। আমরা এতদিন অবহেলিত ছিলাম। কাজ শুরু হওয়ায় খুশি হয়েছিলাম। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে কাজের মান অত্যন্ত নিম্নমানের। মাত্র পাঁচ দিন হলো পিচ ঢালাই করা হয়েছে, কিন্ত এখন হাতে টান দিলেই পিচ উঠে যাচ্ছে।

তাজ্জত আলী নামের একজন বলেন, এক ধরনের তেল আছে, সেটা (বিটুমিন) সড়কে না দিয়ে ঢালাই দিয়েছে। আমি এমন অনিয়ম দেখে প্রতিবাদ করেছিলাম, কিন্তু ঠিকাদারের লোকজন তা শোনেননি। উল্টো হুমকি-ধমকি দিয়েছেন। আব্দুল হামিদ জানান, ছেপ দিয়া লেপ দিছে এটাকে বলে। আমরা এমন রাস্তা চাই নাই। আগে কাঁদা দিয়ে হেঁটে চলতে হইছে, এখন এই রাস্তা যদি এইভাবে করে তাহলে এক মাসও টিকবে না।

চারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জহিরুল হক বলেন, আমাদের এই রাস্তা দিয়ে অনেক কষ্ট করে চলাচল করতে হয়েছে। এই রাস্তা তো বারবার হবে না। যে অবস্থায় রাস্তা নির্মান করা হয়েছে, তাতে অল্পদিনের মাঝেই নষ্ট হয়ে যাবে সড়কটি। সরকার কোটি টাকা ব্যয় করছে, অথচ কাজের মান যদি এমন হয় তবে তা শুধু টাকার অপচয় হওয়া ছাড়া কিছুই না।

কাজের বিষয়ে উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান বলেন, কার্পেটিং কাজের শুরুর পরদিনই সমস্যা দেখে আপাতত কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে বলা হয়েছে, যা যা প্রয়োজনীয় তা দিয়ে সুন্দরভাবে কাজ সম্পন্ন করার জন্য।

এ নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা আফসানা বলেন, রাস্তা কাজে অনিয়মের বিষয়টি জানতে পেরে প্রকৌশলীকে নির্দেশনা দিয়েছি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমাদের নজরদারি থাকবে। কোনোভাবেই অনিয়ম করার সুযোগ দেওয়া হবে না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

[bangla_date]

© ২০২৪-২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | স্বাধীন সূর্যোদয় | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট