
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
পান্ডারগাঁও ইউনিয়নে ৯ ওয়ার্ডে ২ গ্রামের কর্মী—ইউএনওর হস্তক্ষেপ চাইলেন বিএনপি নেতা
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার পান্ডারগাঁও ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির শর্ত যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন পান্ডারগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির নেতা সিরাজ উদ্দিন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে সিরাজ উদ্দিন অভিযোগ করেন, ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তিতে প্রার্থীর বয়স ৪৫ বছরের মধ্যে হতে হবে, সরকারি, আধা-সরকারি কিংবা এনজিওতে চাকরিজীবী বা কর্মরত ব্যক্তি নিয়োগের ক্ষেত্রে অযোগ্য এবং প্রত্যেক কর্মীকে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের বাসিন্দা হতে হবে—এমন শর্ত উল্লেখ ছিল।
তবে ফলাফল প্রকাশের পর দেখা গেছে, এসব শর্তের সঙ্গে নিয়োগপ্রাপ্তদের একটি অংশের মিল নেই বলে দাবি করেন তিনি। তার অভিযোগ, পান্ডারগাঁও ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের তথ্য সংগ্রহের জন্য মাত্র দুইটি গ্রাম থেকে কর্মী নেওয়া হয়েছে। ফলে এক ওয়ার্ডের বাসিন্দাকে অন্য ওয়ার্ডে দায়িত্ব দেওয়ায় স্থানীয় পর্যায়ে সঠিকভাবে তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
সিরাজ উদ্দিন আরও প্রশ্ন তোলেন, বিজ্ঞপ্তিতে নিজ নিজ ওয়ার্ডের বাসিন্দাকে তথ্য সংগ্রহকারী হিসেবে নিয়োগের কথা থাকলে এক ওয়ার্ডের পরিবর্তে অন্য ওয়ার্ডের বাসিন্দাকে নিয়োগ দেওয়া কতটা যৌক্তিক। একই সঙ্গে সরকারি, আধা-সরকারি বা এনজিওতে কর্মরত ব্যক্তিদের কেউ নিয়োগ পেয়েছেন কি না, সেটিও তদন্তের দাবি জানান তিনি।
অভিযোগকারী বিষয়টি দ্রুত আমলে নিয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)-এর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে নিয়োগ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।