1. mdkukon685@gmail.com : Abdus Salam : Abdus Salam
  2. news@gmail.com : IYASIN AHMED SHARIF : IYASIN AHMED SHARIF
  3. news5@gmail.com : NAIMUL HAQUE : NAIMUL HAQUE
  4. news_3@gmail.com : Nazmul Hassan : Nazmul Hassan
  5. lukmanmiah2619@gmail.com : news_shadhin :
  6. news6@gmail.com : Sagor Talukder : Sagor Talukder
  7. shadhinsurjodoy@gmail.com : স্বাধীন সূর্যোদয় : স্বাধীন সূর্যোদয়
  8. info@www.shadhinsurjodoy.com : স্বাধীন সূর্যোদয় :
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৪:৩০ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি:
স্বাধীন সূর্যোদয় অনলাইন পত্রিকায় আপনাকে স্বাগতম। সারাদেশে জেলা ও  উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহী হলে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করুন। হোয়াটসঅ্যাপ: ০১৮৮৩-৩০৬০৪৮

কুড়িগ্রামে তাপমাত্রা নেমেছে ১০ ডিগ্রিতে, শৈত্যপ্রবাহে জনজীবন বিপর্যস্ত

প্রতিবেদকের নাম :
  • প্রকাশিত: রবিবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২৬

মোঃ সোলায়মান গনি উলিপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ


কুড়িগ্রামের ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ায় পৌষের হাড়কাঁপানো শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জেলার জনজীবন। তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় ঠান্ডা বাতাসে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। কনকনে ঠান্ডা ও ঘন কুয়াশায় স্থবির হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন দিনমজুর, কৃষক ও খেটে খাওয়া মানুষজন।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় জেলার রাজারহাট আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগের দিন শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
সদর উপজেলার ভোগডাঙ্গা এলাকার দিনমজুর আব্দুল মালেক বলেন, “আগে সকাল ৮টার মধ্যেই কাজে বের হতাম। কিন্তু এখন এমন ঠান্ডা যে ১০টার আগে ঘর থেকে বের হওয়া যায় না। এভাবে শীত বাড়তে থাকলে আমাদের মতো গরিব মানুষের অবস্থা খুব খারাপ হবে। কাজ করতে না পারলে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়বে।”
একই এলাকার কৃষক রফিকুল ইসলাম জানান, “সকাল ১০টা পর্যন্ত ঘন কুয়াশা থাকে। কুয়াশা কিছুটা কাটলেও ঠান্ডা কমে না। মাঠে কাজ করা এখন খুব কষ্টকর হয়ে গেছে।”
সন্ধ্যার পর থেকে সকাল পর্যন্ত চারদিক ঘন কুয়াশায় ঢেকে থাকছে। কুয়াশার ঘনত্ব বেশি থাকায় সড়কে যানবাহনগুলো ধীরগতিতে চলাচল করছে।
অটোরিকশা চালক মাইদুল ইসলাম বলেন, “রাস্তায় সামনে কিছুই দেখা যায় না। খুব সাবধানে গাড়ি চালাতে হচ্ছে। দিনের বেলাতেও লাইট জ্বালিয়ে চলতে হয়। কুয়াশা আর ঠান্ডা যদি আরও বাড়ে, তাহলে গাড়ি চালানো আমাদের জন্য খুব ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যাবে।”
এদিকে শীতার্ত মানুষের জন্য কুড়িগ্রামের নয়টি উপজেলায় জেলা প্রশাসনের দুর্যোগ ও ত্রাণ শাখা থেকে মোট ২২ হাজার কম্বল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে জেলা প্রশাসনের বরাদ্দে ১৩ হাজার, প্রধান উপদেষ্টার বরাদ্দে ৭ হাজার ৫০০ এবং আগের বরাদ্দ থেকে ১ হাজার ৫০০ কম্বল বিতরণের জন্য প্রস্তুত রয়েছে।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ঘন কুয়াশার কারণে দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে যাচ্ছে, ফলে শীতের অনুভূতি আরও বাড়তে পারে। আগামী কয়েকদিন এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকার আশঙ্কা রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  

[bangla_date]

© ২০২৪-২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | স্বাধীন সূর্যোদয় | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট