
ইব্রাহিম হাওলাদার বিশেষ প্রতিনিধি:
গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে জেলাজুড়ে বাস্তবায়িত হচ্ছে বহুমুখী উন্নয়নমূলক কার্যক্রম। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতের মানোন্নয়ন, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর জনসেবা নিশ্চিত করার মাধ্যমে জেলার সার্বিক অগ্রগতি ত্বরান্বিত হচ্ছে।
জেলার যোগাযোগ ও অবকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ায় গ্রাম থেকে শহর পর্যন্ত সড়ক যোগাযোগে এসেছে গতি। এর ফলে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটার পাশাপাশি জমির মূল্যও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে আধুনিকায়ন এবং সেবার মান উন্নয়নে জেলা প্রশাসন নিরলসভাবে কাজ করছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিবেশ উন্নয়ন ও স্বাস্থ্যসেবার পরিধি বাড়ানোর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় জেলা প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকার ফলে গোপালগঞ্জে জননিরাপত্তা নিশ্চিত হয়েছে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে প্রশাসনের বিভিন্ন উদ্যোগ প্রশংসিত হচ্ছে।
জনসেবা সহজীকরণে তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে। ‘কুইক সার্ভিস ডেলিভারি পয়েন্ট’ স্থাপনের মাধ্যমে নাগরিকরা দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে সরকারি সেবা পাচ্ছেন। একইসঙ্গে জেলা প্রশাসনের দাপ্তরিক কার্যক্রমও ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত হচ্ছে।
যুব সমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে উদ্যোক্তা উন্নয়ন কার্যক্রম ও ‘উদ্যোক্তা বাজার’ চালু করা হয়েছে। বিশেষ করে চামড়া শিল্পের উন্নয়নে উদ্ভাবিত ‘গোপালগঞ্জ মডেল’ ইতোমধ্যে সাড়া ফেলেছে, যা সারাদেশে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
মানবিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে মুজিববর্ষে গৃহহীনদের জন্য ঘর প্রদান কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। করোনা অতিমারির সময় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়িয়ে জেলা প্রশাসক মানবিক নেতৃত্বের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।
এছাড়া দীর্ঘদিন ধরে ফেলে রাখা বা ধীরগতিতে চলা উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর গতি বাড়াতে নেওয়া হয়েছে বিশেষ উদ্যোগ। দলমত নির্বিশেষে সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করাই জেলা প্রশাসনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য, যা জেলার অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।