1. lukmanmiah2619@gmail.com : news_shadhin :
  2. shadhinsurjodoy@gmail.com : স্বাধীন সূর্যোদয় : স্বাধীন সূর্যোদয়
  3. info@www.shadhinsurjodoy.com : স্বাধীন সূর্যোদয় :
শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:৫৮ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি:
স্বাধীন সূর্যোদয় অনলাইন পত্রিকায় আপনাকে স্বাগতম। সারাদেশে জেলা ও  উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহী হলে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করুন। হোয়াটসঅ্যাপ: ০১৮৮৩-৩০৬০৪৮

‎মুকুলে ছেয়ে গেছে মণিরামপুর, হাসি ফুটছে কৃষকের মুখে

প্রতিবেদকের নাম :
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

আবু রায়হান, মণিরামপুর (যশোর):


দক্ষিণের হাওয়ায় বসন্তের ছোঁয়া লাগতেই মণিরামপুর জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে আম্র মুকুলের মিষ্টি সুবাস। যশোরের মণিরামপুর উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা এখন গাছে গাছে সবুজাভ-হলুদ মুকুলের সমারোহ। সকাল-বিকেল হালকা বাতাসে ভেসে আসা ঘ্রাণ জানিয়ে দিচ্ছে-মধুমাসের দিন আর বেশি দূরে নয়। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, গ্রাম থেকে পৌর শহর পর্যন্ত আমবাগানগুলোতে মৌমাছির গুঞ্জন আর পাখির কোলাহলে মুখর পরিবেশ। কৃষকদের মুখে এখন আশার হাসি।

অনুকূল আবহাওয়া অব্যাহত থাকলে এ বছর আমের ফলন ভালো হওয়ার সম্ভাবনা দেখছেন তারা। উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় মুকুলের সমারোহ
‎উপজেলার পৌরসভাসহ ০১নং রোহিতা ইউনিয়ন,০২নং কাশিমনগর ইউনিয়ন,০৩নং ভোজগাতী ইউনিয়ন,০৪নং ঢাকুরিয়া ইউনিয়ন,০৫নং হরিদাসকাটি ইউনিয়ন,০৬নং মণিরামপুর ইউনিয়ন,০৭নং খেদাপাড়া ইউনিয়ন,০৮নং হরিহরনগর ইউনিয়ন,০৯নং ঝাঁপা ইউনিয়ন,১০নং মশ্বিমনগর ইউনিয়ন,১১নং চালুয়াহাটি ইউনিয়ন,১২নং শ্যামকুড় ইউনিয়ন,১৩নং খানপুর ইউনিয়ন,১৪নং দূর্বাডাংগা ইউনিয়ন,১৫নং কুলটিয়া ইউনিয়ন,১৬নং নেহালপুর ইউনিয়ন ও ১৭নং মনোহরপুর ইউনিয়ন-সবখানেই আম্র মুকুলে ভরে উঠেছে বাগান ও বাড়ির আঙ্গিনা।

‎বিশেষ করে কুলটিয়া ইউনিয়ন ও মশ্বিমনগর ইউনিয়নে বিস্তীর্ণ বনাঞ্চলঘেরা আমবাগান এবং দূর্বাডাংগা ইউনিয়ন ও মণিরামপুর সদরের গ্রামীণ অঞ্চলে মুকুলের ঘ্রাণ এখন প্রকৃতিকে করেছে উৎসবমুখর। অনুকূল আবহাওয়ায় আশাবাদী কৃষক,স্থানীয় আম চাষিরা জানান, চলতি মৌসুমে তাপমাত্রা অনুকূলে থাকায় এবং টানা কয়েকদিন রোদেলা আবহাওয়ায় গাছে ভালো মুকুল এসেছে।

ঝড়,শিলাবৃষ্টি বা অতিরিক্ত কুয়াশা না হলে ফলন আশানুরূপ হতে পারে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, এ সময় নিয়মিত বাগান পরিদর্শন, পোকার আক্রমণ প্রতিরোধ এবং ছত্রাকনাশক প্রয়োগ জরুরি। বিশেষ করে হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড় বা বৃষ্টিপাত হলে মুকুল ঝরে পড়ার ঝুঁকি থাকে। অর্থনীতি ও গ্রামীণ জীবনে প্রভাব মণিরামপুরে বাণিজ্যিকভাবে আম চাষের পরিমাণ প্রতিবছর বাড়ছে। স্থানীয় বাজার ছাড়াও রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় এখানকার আম সরবরাহ করা হয়। ভালো ফলন হলে কৃষকের আয় যেমন বাড়বে, তেমনি জেলা-উপজেলা অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

গ্রামীণ জীবনে আম্র মুকুল কেবল ফলনের ইঙ্গিত নয়-এটি ঋতু পরিবর্তনের এক আবেগঘন প্রতীক। বিকেলে আমবাগানে তরুণদের আড্ডা, শিশুদের খেলাধুলা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুকুলের ছবি-সব মিলিয়ে মণিরামপুর এখন বসন্তের সুবাসে মাতোয়ারা।

‎সবকিছু অনুকূলে থাকলে কয়েক মাস পরই উপজেলার বাজারগুলো সোনালি আমে ভরে উঠবে-এমনটাই প্রত্যাশা কৃষক ও সংশ্লিষ্ট সবার। এবিষয়ে মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো.সম্রাট হোসেন বলেন,মণিরামপুরের মাটি ও জলবায়ু আম চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। এবার বসন্তের শুরুতেই বাগানগুলোতে যে পরিমাণ মুকুল এসেছে, তা আমাদের জন্য অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। আমরা আশা করছি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবার উপজেলায় আমের বাম্পার ফলন হবে,যা স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

[bangla_date]

© ২০২৪-২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | স্বাধীন সূর্যোদয় | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট