1. mdkukon685@gmail.com : Abdus Salam : Abdus Salam
  2. news@gmail.com : IYASIN AHMED SHARIF : IYASIN AHMED SHARIF
  3. news_8@gmail.com : Mehedi Hasan Rana : Mehedi Hasan Rana
  4. news5@gmail.com : NAIMUL HAQUE : NAIMUL HAQUE
  5. news_3@gmail.com : Nazmul Hassan : Nazmul Hassan
  6. lukmanmiah2619@gmail.com : news_shadhin :
  7. news6@gmail.com : Sagor Talukder : Sagor Talukder
  8. news_11@gmail.com : Sajedur Rahman : Sajedur Rahman
  9. shadhinsurjodoy@gmail.com : স্বাধীন সূর্যোদয় : স্বাধীন সূর্যোদয়
  10. info@www.shadhinsurjodoy.com : স্বাধীন সূর্যোদয় :
রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৮:০৩ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি:
স্বাধীন সূর্যোদয় অনলাইন পত্রিকায় আপনাকে স্বাগতম। সারাদেশে জেলা ও  উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহী হলে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করুন। হোয়াটসঅ্যাপ: ০১৮৮৩-৩০৬০৪৮

নরসিংদীতে মাদরাসা শিক্ষকের প্রহারে ৭ বছরের শিশু রক্তাক্ত, হাসপাতালে ভর্তি

প্রতিবেদকের নাম :
  • প্রকাশিত: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার


নরসিংদীর ভেলানগর জেলখানার মোড়ে অবস্থিত মাদরাসাতুল আবরার এরাবিয়া মাদরাসায় ৭ বছর বয়সী এক শিশুকে নির্মমভাবে প্রহারের অভিযোগ উঠেছে শিক্ষক নাজমুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আহত শিশুর নাম মুজাহিদ। শিশুটি জানায়, গোসল করতে অনীহা প্রকাশ করা তথা কথা না শুনায় মাদরাসার এক শিক্ষক তাকে বেত দিয়ে মারধর করেন। একপর্যায়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের গভীর চিহ্ন পড়ে এবং এবং সারা শরীরের বিভিন্ন স্থানে চামড়া ফেটে রক্ত বের হয়। পরে বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য তাকে ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছে শিশুটি।

শিশুটির বাবা মাদরাসায় তাকে দেখতে গেলে শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখে বিষয়টি জানতে পারেন। পরে পরিবারের সদস্যরা শিশুটির শরীরজুড়ে বেতের দাগ ও রক্তাক্ত ক্ষত দেখতে পান। এ ঘটনায় তারা গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। শিশু মুজাহিদ গুরুতর আহত হয়ে এখন হাসপাতালে চিকিৎসারত আছে।

শিশু মুজাহিদের চাচা বলেন, “এতদিন শুধু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মাদরাসা শিক্ষকদের নির্যাতনের খবর দেখেছি, এবার নিজের পরিবারের শিশুই তার শিকার হলো। কিছু শিক্ষকের এমন আচরণের কারণে পুরো আলেম সমাজের বদনাম হয়। একটি ছোট শিশুকে এভাবে মারধর কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।”

স্থানীয় অভিভাবকদের প্রশ্ন, গোসল না করার মতো সামান্য ঘটনায় একটি শিশুকে এতটা নির্মমভাবে প্রহার করা কীভাবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে? এমন ঘটনার ফলে ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতি অভিভাবকদের আস্থা নষ্ট হতে পারে বলেও তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়রা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

[bangla_date]

© ২০২৪-২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | স্বাধীন সূর্যোদয় | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট