
এস ডব্লিউ সাগর তালুকদার
সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :
সুনামগঞ্জের ছাতকে মসজিদ প্রাঙ্গনে সালিশি আলাপ-আলোচনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ১০ ব্যক্তি আহত হয়েছে। বসবাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা-ভাংচুর সহ লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার দোলারবাজার ইউনিয়নের কল্যাণপুর গ্রামে। পনেরো জনের বিরুদ্ধে ছাতক থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন কল্যানপুর গ্রামের রইছ আলীর ছেলে বদরুল ইসলাম।
জানা যায়, গেল শুক্রবার (২৯ মে) জুমা নামাজের পর কল্যানপুর জামে মসজিদ প্রাঙ্গনে একটি সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বদরুল ইসলামের চাচা আমিনুরকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেন একই গ্রামের মৃত ছোয়াব আলীর ছেলে আপ্তাব উদ্দিন।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওইদিন বিকেল ৩টার দিকে দোলারবাজারস্থ বদরুল ইসলামের মেসার্স সাইফুল এন্ড ব্রাদ্রার্স নামক দোকানে হামলা ও লুটপাট চালানো হয়। বিকেলে বদরুল ইসলামের বসতঘরে হামলা চালায় প্রতিপক্ষের লোকজন। এ হামলায় তাদের এক শিশুসহ ৩ জন আহত হয়েছে মর্মে এজহারে উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগের প্রেক্ষিতে শনিবার (৩১ মে) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই গোলাম সারওয়ার। দোষীদের আইনের আওতায় এনে ন্যায় বিচারের দাবী জানিয়েছেন ভূক্তভোগীরা। অন্যদিকে এ বিষয়ে প্রতিপক্ষ আপ্তাব উদ্দিন জরুরী কাজে বাহিরে থাকায় বাড়িতে গিয়ে তাকে পাওয়া না গেলেও তার ভাই সুজন মিয়া লুটপাট ও ভাংচুরের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, প্রতিপক্ষরা উল্টু তাদের বাড়িতে ইট-পাটকেল ছুড়ায় নারী সহ তাদের অন্তত ৫ জনকে ব্যক্তি আহত করেছে। এছাড়া মসজিদ প্রাঙ্গনে তার ভাই আপ্তাব উদ্দিনকে নিয়ে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। বরং পূর্ব শক্রুতার জেরে ও অর্থের দাপটে তারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। এ বিষয়ে তারা অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন।
অভিযোগ প্রাপ্তির বিষয় নিশ্চিত করে ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির বিষয়টি তদন্ত চলমান রয়েছে।