
কাজী জাবেদ হোসেন, আদর্শ সদর,প্রতিনিধি,কুমিল্লা:
ফ্যসিস্টের আমলে এ বিজয়পুর এলাকা মাদকের আখরায় পরিনত করেছে। কিন্তু দুর্ভাগ্য জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরও মাদক নিয়ন্ত্রণ করা যায়নি। পট পরিবর্তন হলেও মাদক কারবারি থেকে চাঁদা নেয়া বন্ধ হয়নি। প্রশানকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে মাদকের রমরমা বাণিজ্য চলছেই। এখন সময় মাদকের মূলোৎপাটন করতে হবে।
শনিবার (২০ জুন) সন্ধ্যায় সদর দক্ষিণ উপজেলার লালমতি গ্রামে মাদক বিরোধী শান্তি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, মাদকের ছোবল প্রতিটা পরিবারে আঘাত হেনেছে। নাবালক শিশুটাও রেহাই পায়নি। এখানের কেউই সুস্থ স্বাভাবিক না। এখানে যারা ভুল করেছে কেউই সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ না। মাদক সেবন করতে করতে তাদের হিতাহিত জ্ঞান নেই।
মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, সমাজ মাদক মুক্ত করতে এলাকাবাসী মিছিল করেছে, মাদক কারবারি মিলনকে এলাকা থেকে হটিয়ে দিয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো মাদক কারবারি মিলন আবার কার ছত্রছায়ায় আবার দুই দিনের মাথায় ফিরে আসলো? কারা এসব মাদক কারবারিদের শেল্টার দেয়? কেনো মাদক বিরোধী মিছিল দেয়া ছেলেদের গ্রেফতার করা হলো? কেনো ৯ বছরের মাছুম বাচ্চাটাকেও গ্রেফতার করা হলো? সচেতন এলাকাবাসী মাদকের বিরুদ্ধে মিছিল করবে না তো কিসের বিরুদ্ধে কথা বলবে? সচেতন সমাজ মাদকের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছে। তাদের রুখে দেয়ার সাধ্য কারো নাই।
তিনি বলেন, আমি অনতিবিলম্বে গ্রেফতারকৃতদের মুক্তি দাবি করছি। অন্যথায় আদালতে যাবো, হাইকোর্টে যাবো, রাস্তায় নামবো।
তিনি আরও বলেন, রক্ষক যদি ভক্ষক হয় তাহলে দেশ বাঁচানো সম্ভব না। আপনারা ঠিক হন। না হয় সমাজকে মাদকের ছোবল থেকে রক্ষা করা সম্ভব নয়।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, এখানে এসে একটা বিষয় উপলব্ধি হয়েছে যে সমাজ এখন মাদকের বিরুদ্ধে সচেতন। পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে মাদক এসে এদেশের যুব সমাজকে নষ্ট করে দিয়েছে। যার প্রভাব আপনারা এখন দেখছেন।
গত বৃহস্পতিবার ১ লাখ ৬০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছি আপনারা তা দেখেছেন। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের নিয়মিত অভিযান চলছে৷ আপনারা সচেতন সমাজ আমাদের সহযোগিতা করবেন।