
মোঃ মোবারক হোসেন:দীঘিনালা(খাগড়াছড়ি)প্রতিনিধি:
পাহাড় নিয়ে সুশীল সেজে কারা কথা বলছে উপজাতিদের পক্ষে? একজন অপরাধী শুধু মাত্র অপরাধী।
পাহাড়ে সেনাবাহিনী নিয়ে সাধারণ পাহাড়ি,বাঙালিদের মধ্যে কোন অভিযোগ নেই, শুধুমাত্র উগ্র সম্প্রদায়িক সন্ত্রাসীদের ষড়যন্ত্রে সাধারণ পাহাড়ি- দের মুখোমুখি দেশ প্রেমিক সেনাবাহিনী’কে দাঁড় করানো হচ্ছে ।
আন্দোলনের আগেই ধর্ষণের অভিযুক্ত একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, বর্তমানে সে ৭ দিনের রিমান্ডে রয়েছে, বাকি দুইজনকে পরবর্তীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে । এর পরেও সেনাবাহিনীর উপর এই হামলা পূর্ব পরিকল্পিত চক্রান্ত, এর পেছনে রয়েছে উগ্র সাম্প্রদায়িক চাঁদাবাজ গ্রুপ, যারা পাহাড় থেকে সেনাবাহিনী ও বাঙ্গালীদের তাড়িয়ে তাদের রাম রাজত্ব কায়েম করতে চায় এবং রয়েছে বিগত দিনের ফ্যাসিবাদের শক্তি, যা গোপন মিশনের অংশ হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রাম কে নিয়ে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করা ।
অনেকের সাথে কথা বলে যা জানতে পারলাম- আমার সাথে পাহাড়ি উপজাতি সম্প্রদায়ের অসংখ্য বন্ধু বান্ধব আছে, যারা নিজেদের কোন এলিয়েন বা ভিন্ন জগতের কোন মানব হিসেবে পরিচিতি করতে চায় না, তারা নিজেদের কে বাংলাদেশি ও পাহাড়ি পরিচয়েই স্বাচ্ছন্দবোধ করে ।
দেশ প্রেমিক সেনাবাহিনীর উপর দফায় দফায় হামলা করা হচ্ছে – যা আন্তর্জাতিক অপরাধের সামিল, তবে এখনো সেনাবাহিনী তাদের ধৈর্যের সাথে মোকাবিলা করে যাচ্ছে।
দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী’র এই রক্ত বৃথা যেতে পারে না, অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এর তিব্র-নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে এবং সাধারণত পাহাড়িরাও এর এক সমাধান চেয়েছে ।
অপরাধী যে সংগঠনেরই হোক বা যে সম্প্রদায়ের হোক, অপরাধীর পরিচয় শুধু অপরাধীই- অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে শাস্তি দাবি জানাচ্ছে অনেকেই ।
উপজাতি এক স্কুল ছাত্রী ধর্ষনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন দাবী তুলা হচ্ছে, যে দাবি গুলো ধর্ষনের ঘটনার সাথে সম্পুর্ণ ভিন্ন ।
কেউ কেউ বলছেন, বর্তমান সরকার’কে বেকায়দায় ফেলতে পার্বত্য চট্রগ্রামকে পুঁজি করে বেছে নিয়েছে ফ্যাসিবাদ গুষ্টিটি, যেখানে পাহাড়ের স্বশস্ত্র সন্ত্রাসীদের ব্যবহার করছে এবং সাধারণ উপজাতিদের আন্দোলনে উপস্থিতি চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে, আবার সে ফাঁদে অনেকেই ভূয়া তথ্য প্রচারের মাধ্যমে ফাঁদে পড়ে আন্দোলনে অংশ নিয়ে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টি করছে ।
যেখানে ধর্ষক ৩ জন উপজাতি ও দুইজন হিন্দু সম্প্রদায়ের, যাদের গ্রেফতারও করা হয়েছে ইতিমধ্যে, সেখানে পাহাড়কে অস্থিতিশীল করে স্লোগান দিচ্ছে – সেনাবাহিনি হটাও, বাঙালী হটাও এবং নিজেদের আধিবাসী দাবি সহ পার্বত্য চট্টগ্রামকে ভারতের অংশ করা সহ ভিবিন্ন ইস্যু নিয়ে আন্দোলন করাটা ভিত্তিহীন ।
ইতিমধ্যে বিএনপি সহ কয়েকটি উপজাতি মারমা সম্প্রদায় থেকে সবাইকে শান্ত থাকতে বলা হয়েছে, গুজবে কান না দিতে খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সভাপতি ওয়াদুদ ভূইয়া সকলের প্রতি আহব্বান করেছেন ।
সেপ্টেম্বর(রবিবার)২৫ খাগড়াছড়ি জেলা’র গুইমারা উপজেলায় সেনাবাহিনীর উপর হামলা করেছে উপজাতি সন্ত্রাসীরা, প্রায় ২০ জন সেনাবাহিনী,সাংবাদিক আহত হয়েছে এবং দীঘিনালা উপজেলার বাবুছড়া ইউনিয়নে সন্ত্রাসীরা সাধারণ বাঙ্গালীদের উপর তাণ্ডব চালিয়েছে।