
রকিব, রাউজান উপজেলা প্রতিনিধি ।
জুলাই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামীলীগ সরকারের পতনের পর বাংলাদেশের মানুষ যখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন ঠিক তখনই নির্বাচনকে সামনে রেখে শান্তিপ্রিয় সুন্নী রাজনৈতিক দলগুলো একত্রিত হয়ে বৃহত্তর জোট গড়ে তুলে । স্বাধীনতাপন্থী আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত আকিদার অনুসারী বৃহত্তর সুন্নী জোটের শান্তিপ্রিয় প্রার্থীদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো সহ হামলার হুমকি দিয়ে আসছে কুচক্রীদের একটা মহল। কোনো এক পক্ষকে খুশি করতে সুন্নি জোটের শান্তিপ্রিয় প্রার্থীদের নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের ব্যাস্ত হয়ে পড়েছে বাংলাদেশের স্বনামধন্য মিডিয়া। এমনটাই দাবি দলটির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীদের। উল্লেখ্য গত ২০২৪সালের ০৫ই আগষ্ট ছাত্রদের গণ আন্দোলনের মুখে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ত্যাগের পর প্রফেসর ডঃ মুহাম্মদ ইউনূস দেশের দায়িত্বের চেয়ারে বসে দেশের জনগণের কাছে দেশেকে শান্তি এবং সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার আশ্বাস দেন। কিন্তু এর পর থেকে শুরু হয় মামলা বানিজ্য , যেটা থেকে রেহাই মেলেনি সাধারণ যুবক থেকে শুরু করে বৃদ্ধ এবং নারীরাও। মাটি ও বালু্র ব্যাবসা সহ বিভিন্ন কিছু নিয়ে বিভিন্ন দলের নিজ দলীয় কর্মীদের দ্বন্দ্ব ও খুনোখুনির কারণে সাধারণ মানুষের মাঝে ভীতিকর পরিস্থিতি সর্বদা বিরাজমান। তাওহিদি জনতা নাম দিয়ে ইসলামিক লেবাস ধারণ করে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা ও অগ্নিসংযোগ, মসজিদ মাদ্রাসায় হামলা, তাদের নেতাকর্মী কতৃক নারী নির্যাতন, পরকীয়া, ধর্ষণ, বলৎকারের মতো নেক্কারজনক কাজ নির্দ্বিধায় করে যাচ্ছে। জনসম্মুখে জীবন্ত মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা,কবর থেকে লাশ তুলে পোড়ানো, মাজারে হামলা করা যেন তাদের ইবাদতের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মব সৃষ্টি করে তারা মসজিদের ইমাম মাওলানা রইস উদ্দিন কে হত্যা করে , বিনা কারণে নামমাত্র যুক্তি দেখিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপরো বর্বরতা চালিয়ে যাচ্ছে। যা সুস্পষ্ট প্রমাণ থাকার পরেও প্রসাশনের তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য ভূমিকা দেখা যায় নি। সুষ্ঠু বিচারব্যবস্থার অভাবে সাধারণ মানুষের বেহাল দশা । এর মধ্যে সাধারণ মানুষের কাছে শান্তির বার্তা নিয়ে আসে বৃহত্তর সুন্নী জোট। সময়ের সাথে সাথে বৃহত্তর সুন্নী জোটের শান্তিপ্রিয় প্রার্থীদের প্রতি সাধারণ মানুষের মাঝে জনপ্রিয়তা এবং আস্থা বাড়তে থাকে । এর মধ্যে অসৎ উদ্দেশ্য ধারণ করে সাধারণ মানুষের মাঝে বিভ্রান্ত সৃষ্টি করে ক্ষমতালোভীরা যেভাবে সুন্নী জোটের শান্তিপ্রিয় প্রার্থীদের বিরুদ্ধে অনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে সেটা অতি নিন্দনীয় এবং যারা এসব ক্ষমতালোভী পথভ্রষ্টদের বিরুদ্ধে কলম না ধরে সঠিক পথে পরিচালিত বিষয়ের বিরুদ্ধে কলম ধরেছেন তারা অবশ্যই নিন্দনীয় এবং অসম্মানিত যেটা দেশের জন্য অকল্যাণকর। ইতিমধ্যে দেখা গেছে বৃহত্তর সুন্নী জোটের জনপ্রিয় প্রার্থী মুফতী গিয়াস উদ্দিন তাহেরীকেও কয়েকটি অহেতুক মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে এবং একের পর এক বিভ্রান্তীকর অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। জোটের অন্যান্য প্রার্থীদের বিরুদ্ধেও কুচক্রী মহল কতৃক মামলা ও হামলার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। যা অত্যন্ত নেক্কারজনক কাজ। চট্টগ্রাম ৬ (রাউজান) আসনেও বিভিন্ন দলের মাঝে দন্দ দেখা গেলেও বৃহত্তর সুন্নী জোটের প্রার্থী অধ্যক্ষ ইলিয়াস নুরীর জনপ্রিয়তা এবং গ্রহণযোগ্যতা দেখার মতো।