1. service.quickzone6@gmail.com : Abdur_Rahim Abdur_Rahim : Abdur_Rahim Abdur_Rahim
  2. service.quickzone5@gmail.com : Belal_Hussen Belal_Hussen : Belal_Hussen Belal_Hussen
  3. news@gmail.com : IYASIN AHMED SHARIF : IYASIN AHMED SHARIF
  4. service.quickzone3@gmail.com : MD KAMRUL ISLAM : MD KAMRUL ISLAM
  5. service.quickzone4@gmail.com : Mahfujur Rahman : Mahfujur Rahman
  6. news_3@gmail.com : Nazmul Hassan : Nazmul Hassan
  7. lukmanmiah2619@gmail.com : news_shadhin :
  8. service.quickzone2@gmail.com : NUR ISLAM : NUR ISLAM
  9. news6@gmail.com : Sagor Talukder : Sagor Talukder
  10. shadhinsurjodoy@gmail.com : স্বাধীন সূর্যোদয় : স্বাধীন সূর্যোদয়
  11. service.quickzone@gmail.com : Tahmina akther : Tahmina akther
  12. info@www.shadhinsurjodoy.com : স্বাধীন সূর্যোদয় :
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫০ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি:
স্বাধীন সূর্যোদয় অনলাইন পত্রিকায় আপনাকে স্বাগতম। সারাদেশে জেলা ও  উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহী হলে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করুন। হোয়াটসঅ্যাপ: ০১৮৮৩-৩০৬০৪৮

কচুয়ায় এক আদম বেপারির কাছে পুরো একটি গ্রাম যেন জিম্মি

প্রতিবেদকের নাম :
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২ মে, ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার
কচুয়া উপজেলার ৪ নং পালাখাল মডেল ইউনিয়নের মেঘদাইর গ্রামের উঠতি বয়সের বিদেশগামী সকল যুবক যেন আজ এক আদম বেপারির কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে! এ ছাড়াও গ্রামের শালিসীরা জিম্মি শালিসী বৈঠক করে, আদমরা জিম্মি আদম বেপারীকে টাকা দিয়ে, আর মহাজনরা জিম্মি আদমদের টাকা লগ্নি করে!উপজেলার ৫ নং পশ্চিম সহদেবপুর ইউনিয়নের দারাশাহী তুলপাই গ্রামের সোনা মিয়ার ছেলে মো: হুমায়ুন গাজী মালদ্বীপ থাকেন, প্রথমে যখন ছুটিতে আসেন তখন গ্রামের সহজ সরল মুরুব্বিদের টার্গেট করে প্রলোভন দেন, ( যাদের উপযুক্ত ছেলে আছে) আপনার ছেলে বড় হয়েছে,অথচ কোন কাজে লাগাতে পারেননি! আমি তাকে মালদ্বীপ নিতে চাই, যদি আপনার সম্মতি থাকে।আমাকে মাত্র ২০০,০০০/- দুই লক্ষ টাকা দেবেন, বাকী সব আমি দেখবো।এসব বলে বলে প্রথমে টার্গেট করেন মেঘদাইর গ্রামের ছোট টং দোকানদার মো: ইয়াছিনকে, তার চেলে মো: শাকিবুল ইসলামকে।২০০, ০০০/- দুই লক্ষ টাকার বিনিময়ে মালদ্বীপ নেবে।ইয়াছিন মিয়া তার কথায় সন্তুষ্ট হয়ে রাজি হয়ে যান,তিনি প্রথমে এনজিও থেকে ১০০,০০০/- এক লক্ষ টাকা আর পাসপোর্ট তুলে দেন তার হাতে। কিছুদিনের মধ্যে মো: হুমায়ুন গাজী মাল দ্বীপে চলে যান, সেখান থেকে সকাল- সন্ধ্যা টেলিফোণে মো: ইয়াছিনকে চাপ দিতে থাকে, বাকী ১০০,০০০/- এক লক্ষ টাকা দেয়ার জন্য।ভিসা টিকিট কনফার্ম তাই তাকে আরও ১০০,০০০/- এক লক্ষ টাকা দ্রুত দিতে হবে! পরে ইয়াছিন মিয়া মাসিক সূদে গ্রাম থেকে আরও ১০০,০০০/- এক লক্ষ টাকা চড়া সূদে নেন এবং মো: হুমায়ুন গাজাীকে দেন। গ্রামে ছড়িয়ে পরলো ইয়াছিন মিয়ার ছেলে মো: শাকিলের ভিসা টিকিট কনফার্ম হয়ে গেছে, সে খুব দ্রুতই মালদ্বীপ চলে যাবে। এই খবর ছড়িয়ে পড়লে গ্রামের আরও কিছু অভিভাবক ইয়াছিন মিয়ার কাছ থেকে দালালের/ আদম বেপারির পরিচয় জেনে তারাও তাদের ছেলে, ভাই, শ্যালকদের মালদ্বীপ পাঠাতে আদম বেপারী মো: হুমায়ুন গাজীর সাথে যোগাযোগ শুরু করে, তম্মদ্ধে একই গ্রামের মো: আমান উল্লাহ’র ছেলে মো: নয়ন হোসেন, হাফেজ মো: আব্দুল মান্নানের ছেলে মো: আব্দুল্লাহ,মৃত জুলহাস মিয়ার ছেলে মো: মন্জির হোসেন তার শ্যালককে মালদ্বীপ পাঠাতে সকলেই ২০০’০০০/- দুই লক্ষ টাকা দিয়ে মালদ্বীপ যেতে পারবে এমন অফারে সকলেই আদম বেপারী মো: হুমায়ুন গাজীকে ২০০’০০০/- দুই লক্ষ টাকা করে পরিশোধ করে থাকেন। আদম ব্যবসায়ী মো: হুমায়ুন গাজী আর কাউকেই মালদ্বীপ নিতে পারেনি! যেহেতু সে কাউকেই কথা মতো, সময় মতো মালদ্বীপ নিতে পারেনি! সেহেতু সকলের মূল টাকাঅন্তত: ফেরত দিয়ে দিতে হবে, টাকা ফেরত পেতে ভুক্তভোগী পরিবার গুলো মো: হুমায়ুন গাজির সাথে যোগাযোগ শুরু করে, মো: হুমায়ুন গাজী কয়েক দফা টাকা ফেরত দেয়ার দিন তারিখ ধার্য করে আর টাকা দেননি!পরে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো গ্রামের গন্যমান্য ব্যক্তি বর্গের শরণাপন্ন হন। তম্মধ্যে আব্দুল কুদ্দুছ মাস্টার,মো: সরোয়ার, আব্দুল কুদ্দুছ, সাইফুল পাটওয়ারী,আ: করিম পাটওয়ারী,আরিফ হোসেন, রফিক বেপারী, লিটন ও মন্জির হোসেন, এর নিকট গেলে তারাও মো: হুমায়ুন গাজীর সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেন, এক পর্যায়ে মো: হুমায়ুন গাজী দেশে আসলে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো মো: হুমায়ুন গাজীর সাথে যোগাযোগ করে তাদের টাকা ফেরত পেতে কোন কূল কিনারা না পেয়ে আবারও গ্রামের শালিসদার ব্যক্তিদের সাথে যোগাযোগ করলে আবারও গ্রামের শালিসীরা মো: হুমায়ুন গাজীর সাথে কথা বলে একটা শালিসী বৈঠকের তারিখ দেন। ঐ শালাসী বৈঠকে মো: হুমায়ুন গাজী ভুক্তভোগীদের যেহেতু বিদেশে নিতে পারেনি,সেহেতু তাদের সকল টাকা ফেরত দেয়ার সিদ্ধান্তে রাজী হন এবং কিছু দিনের সময় প্রার্থনা করে সময় নেন।শালিসীরাও তার চাওয়া সময় মতো তাকে সময় দেন।তিনশত টাকার স্টাম্পে ঐ বৈঠকের সিদ্ধান্তগুলো লেখা হয়েছিল।সে তিন দফায় টাকা পরিশোধ করার কথা থাকলেও টাকা পরিশোধ না করায় ভুক্তভোগীরা নিরুপায় হয়ে কচুয়া থানায় মো: হুমায়ুন গাজীর বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা কচুয়া থানার এ এস আই মো: মোর্শেদুল আলম অভিযোগের সত্যতা পান, তবে ভুক্তভোগীদের পাওনা টাকা আদায় করে দিতে পারেননি বিধায় অভিযোগটি মামলায় রূপান্তর করে কোর্টে প্রেরণ করেন, ঐ মামলায় হুমায়ুন গাজী গ্রেফতার হলে সে জেল হাজতে থেকে তার উকিলের মাধ্যমে মামলাটি আপোষের প্রস্তাব দেন। তখন দুই পক্ষের উকিলের সামনে আংশিক টাকা পরিশোধ করেন এবং বাকী টাকা পরিশোধের দিন ক্ষণ ধার্য করেন। এরই মধ্যে আদম বেপারী আবার মালদ্বীপ চলে যান! এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এখনো বকেয়া টাকা পরিশোধ করেননি! বরং উল্টো যারা গ্রামের শালিসদার হয়ে মামলাটি নিষ্পত্তি করতে চেয়েছিল, তাদের নামে এখন আদম বেপারী মো: হুমায়ুন গাজী প্রতিনিয়ত: উল্টা পাল্টা মিথ্যা কথা তাদের নামে লিখে লিখে ছবিসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইস বুকে তার আইডি Md Humayun Gazi থেকে পোস্ট করে করে গ্রামের গন্যমান্য লোকদের মান সম্মান হানি করার হীন চেষ্টা করে যাচ্ছে। ভুক্তভোগী এবং গ্রামের গন্যমান্য ব্যক্তি বর্গ জানাম,অবিলম্বে তার এই নোংরামী বন্ধ না হলে সাইবার ক্রাইম, মান হানি সহ তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের করে তাকে বিচারের আওতায় আনা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 ১২
৩৪৫৬৭৮৯
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  

[bangla_date]

© ২০২৪-২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | স্বাধীন সূর্যোদয় | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট