1. service.quickzone6@gmail.com : Abdur_Rahim Abdur_Rahim : Abdur_Rahim Abdur_Rahim
  2. service.quickzone5@gmail.com : Belal_Hussen Belal_Hussen : Belal_Hussen Belal_Hussen
  3. news@gmail.com : IYASIN AHMED SHARIF : IYASIN AHMED SHARIF
  4. service.quickzone3@gmail.com : MD KAMRUL ISLAM : MD KAMRUL ISLAM
  5. service.quickzone4@gmail.com : Mahfujur Rahman : Mahfujur Rahman
  6. news_3@gmail.com : Nazmul Hassan : Nazmul Hassan
  7. lukmanmiah2619@gmail.com : news_shadhin :
  8. service.quickzone2@gmail.com : NUR ISLAM : NUR ISLAM
  9. news6@gmail.com : Sagor Talukder : Sagor Talukder
  10. shadhinsurjodoy@gmail.com : স্বাধীন সূর্যোদয় : স্বাধীন সূর্যোদয়
  11. service.quickzone@gmail.com : Tahmina akther : Tahmina akther
  12. info@www.shadhinsurjodoy.com : স্বাধীন সূর্যোদয় :
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫২ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি:
স্বাধীন সূর্যোদয় অনলাইন পত্রিকায় আপনাকে স্বাগতম। সারাদেশে জেলা ও  উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহী হলে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করুন। হোয়াটসঅ্যাপ: ০১৮৮৩-৩০৬০৪৮

কচুয়ার ১৯ নং হরিপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সড়ক এখন মরণফাদ, দেখার কেউ নেই

প্রতিবেদকের নাম :
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২ মে, ২০২৬

 

 

মোঃ রায়হান মিয়া কচুয়া চাঁদপুর প্রতিনিধিঃ 

চাঁদপুরের কচুয়ায় হরিপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় সড়কটি শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষদের জন্য এখন এক আতংকের নাম। দীর্ঘ ১৭ বছরে সড়কটিতে মাটি ভরাট না করায় ভাঙতে ভাঙতে ১২ ফুটের সড়কটি এখন দেড় থেকে দুই ফুটে ঠেকেছে। বর্ষাকালে সড়কটি হয়ে ওঠে আরও ভয়ানক। পা পিছলে পুকুরের পানিতে পড়ে যায় শিক্ষার্থীরা। ভয়ে অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের স্কুলে ভর্তি করাতে বা পাঠাতে চাচ্ছেন না। বিদ্যালয়ে দিন দিন কমছে শিক্ষার্থীর সংখ্যা। এতে জীবন থেকে ঝরে যাচ্ছে অনেক শিশুদের শিক্ষা জীবন। কিন্ত এ যেন দেখার কেউ নেই।

সরেজমিনে জানাযায়, অত্র এলাকায় বিদ্যার আলো ছড়াতে ১৯২৫ সালে স্থাপনকরা বিদ্যালয়টির বয়স বর্তমানে ১০১ বছরে পদার্পন। শিশু থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত বিদ্যালয়ে প্রায় ২’শতাধিক শিক্ষার্থী ও ৫জন শিক্ষক রয়েছে। আশেপাশে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না থাকায় এবং শিক্ষার মান ভাল থাকায় দুরদুরান্ত থেকে অভিভাবকরা তাদের সন্তানদেরকে এই বিদ্যালয়ে ভর্তি করেন।

 

কিন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য বিদ্যালয়ে যাতায়াতের জন্য হরিপুর কামারপুকুরিয়া ব্রিজ থেকে হরিপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত সড়কটিতে কাবিখা, কাবিটার প্রকল্পের বরাদ্ধকৃত অর্থে একাধিকবার মাটিভরাট করে ১২ফুট প্রশস্ত রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছিল। সড়কটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও হরিপুর গ্রামবাসীর চলাচলের প্রধান মাধ্যম। সড়কদিয়ে রিকসাসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করত। রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় বিগত ১৭ বছর সড়কটিতে মাটি ভরাটের কাজ করা হয়নি। যারফলে সড়কটির পাশের পুকুরে ভাঙতে ভাঙতে ১২ ফুটের সড়কটি এখন দেড় থেকে দুই ফুটে ঠেকেছে। বর্ষাকালে সড়কটির পাশে পুকুরে পানিতে ভরপুর থাকে। এর মধ্যেই শিক্ষার্থীসহ গ্রামের লোকজন চলাচল করে। ফলে সড়কটি হয়ে ওঠে আরও ভয়ানক। পা পিছলে পড়ে যায় পুকুরের পানিতে। বিগত বছরগুলোতে বহু শিক্ষার্থী বইখাতা বেগসহ পুকুরে ডুবেছে। ভাগ্যিস ওইসব শিক্ষার্থীদের সাতার জানা থাকার কারণে বড় ধরণের দূর্ঘটনা থেকে বেঁচে গেছে।

 

শিক্ষার্থী অভিভাবক ফখরুল ইসলাম বলেন, আমার ছেলে হরিপুর স্কুলে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ে। স্কুলে যাওয়ার রাস্তাটির ভয়াবহ অবস্থা। যারফলে ছেলেকে স্কুলে পাঠানোর পর থেকে বাসায় ফেরত আসা পর্যন্ত আতংকে থাকি।

 

সাবেক মেম্বার হাবিবুর রহমান টিটু বলেন,আমি মেম্বার থাকাকালীন সময়ে সড়কটিতে একাধিকবার মাটি ভরাট করার কাজ করেছি। বিগত বহুবছর কোন কাজ করা হয়নি। যারফলে সড়কটি এখন বিলীনের পথে।

 

কচুয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সাংবাদিক মোঃ খোরশেদ আলম শিকদার বলেন,বিদ্যালয়ের রাস্তাটি ১২ ফুট ছিল। একসময় রিকসাসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করত। এখন পায়ে হেঁটে চলাচল করতে কষ্ট হচ্ছে। জরুরী ভিত্তিতে মাটি ভরাট করা দরকার।

 

বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি শত বছর বয়সী শফিউল আলম রব দর্জি বলেন, ১৯২৫ বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন কদমআলী শিকদার। পরে বকসআলী দর্জি বিদ্যালয়ের নামে ৩৬ শতক জমি দান করে বর্তমান জায়গায় স্থানান্তর করেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিদ্যালয়ের পাঠদান ছিল সন্তোষজনক। বিদ্যালয়ের রাস্তাটি ভেঙে গেছে, চারপাশে খাল ও পুকুর। বাউন্ডারি ওয়াল না থাকায় শিক্ষার্থীরা প্রায় পানিতে ডুবে যায়। বিদ্যালয়ে দ্বিতীয়তলা বিশিষ্ট্য ভবনে ৬টি কক্ষ। একটিতে অফিস হিসেবে ব্যবহার করা হয়। বাকী ৫টি কক্ষে শিক্ষার্থীদের স্থান সংকুলান হয়না। মাঠটি একসময় খুব বড় ছিল। মাটি ভরাট না করায় মাঠটিও পুকুরে ও খালে ভেঙে গেছে।

 

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) সোনিয়া আক্তার বলেন, বিদ্যালয়ে যাতায়াতের রাস্তাটি পুকুরে ভেঙে গেছে। শিক্ষার্থীরা এর মধ্যে দিয়ে বিদ্যালয়ে আসে। এতে করে আমরা ও অভিভাবকরা ভয়ে ও আতংকে থাকতে হয়।

 

কচুয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ও ৩নং বিতারা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মোঃ রাকিবুল ইসলাম বলেন, হরিপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাতায়াতের রাস্তাটি সরেজমিনে দেখে আসছি। সড়কটিতে মাটি ভরাট করা জরুরী। চেষ্টা করছি সড়কটিতে মাটি ভরাটের জন্য প্রকল্প বরাদ্ধ দিতে।

 

কচুয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদুল হাসান রাসেল বলেন, উপজেলায় বরাদ্ধ আসলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে রাস্তাটিতে মাটি ভরাটের ব্যবস্থা নিতে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে বলব।

 

ছবির ক্যাপশন ঃ কচুয়ায় হরিপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১২ ফুটের সড়ক এখন দুই ফুটে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 ১২
৩৪৫৬৭৮৯
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  

[bangla_date]

© ২০২৪-২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | স্বাধীন সূর্যোদয় | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট