1. mdkukon685@gmail.com : Abdus Salam : Abdus Salam
  2. news@gmail.com : IYASIN AHMED SHARIF : IYASIN AHMED SHARIF
  3. news5@gmail.com : NAIMUL HAQUE : NAIMUL HAQUE
  4. news_3@gmail.com : Nazmul Hassan : Nazmul Hassan
  5. lukmanmiah2619@gmail.com : news_shadhin :
  6. news6@gmail.com : Sagor Talukder : Sagor Talukder
  7. shadhinsurjodoy@gmail.com : স্বাধীন সূর্যোদয় : স্বাধীন সূর্যোদয়
  8. info@www.shadhinsurjodoy.com : স্বাধীন সূর্যোদয় :
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০১:২৪ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি:
স্বাধীন সূর্যোদয় অনলাইন পত্রিকায় আপনাকে স্বাগতম। সারাদেশে জেলা ও  উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহী হলে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করুন। হোয়াটসঅ্যাপ: ০১৮৮৩-৩০৬০৪৮

করতোয়া নদীর চরাঞ্চলে লাখ টাকার জুয়ার আসর, সমন্বিত অভিযানের দাবি স্থানীয়দের

প্রতিবেদকের নাম :
  • প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার ( দিনাজপুর)

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট ও নবাবগঞ্জ এবং রংপুরের পীরগঞ্জ থানার সীমান্তঘেঁষা করতোয়া নদীর বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল এখন পরিণত হয়েছে জুয়ার নিরাপদ ঘাঁটিতে। বছরের পর বছর ধরে প্রকাশ্যে বসছে লাখ লাখ টাকার জুয়ার আসর। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক অভিযান পরিচালিত হলেও কিছুক্ষণ বিরতির পরই আবার শুরু হচ্ছে জুয়ার আসর। স্থানীয়দের মতে, তিন থানার সমন্বিত ও একযোগে যৌথ অভিযান ছাড়া এই অবৈধ সাম্রাজ্য ভাঙা সম্ভব নয়।

সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা গেছে, সীমান্তবর্তী নির্জন বালুচরে প্রতিদিন বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত শত শত মানুষের উপস্থিতিতে জমে ওঠে জুয়ার আসর। আশপাশের বিভিন্ন এলাকা ছাড়াও দূরদূরান্ত থেকে মাইক্রোবাস, সিএনজি, ইজিবাইক, মোটরসাইকেল ও অটোভ্যানে করে মানুষ সেখানে পৌঁছান। দূর থেকে পুরো এলাকাটি যেন একটি অস্থায়ী হাটবাজারের চিত্র ধারণ করে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, জুয়ার আসরকে ঘিরে গড়ে উঠেছে একটি সুসংগঠিত ও প্রভাবশালী চক্র। জুয়ার সঙ্গে জড়িত অনেকেই দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত থাকেন। নদীপথের মাঝি, চরাঞ্চলে অবস্থান নেওয়া সোর্স এবং বিভিন্ন পয়েন্টে থাকা সহযোগীরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গতিবিধির ওপর সার্বক্ষণিক নজরদারি চালান। পুলিশের অভিযান শুরু হওয়ার খবর মুহূর্তেই পৌঁছে যায় আয়োজকদের কাছে। ফলে তারা দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে অথবা পাশের থানার সীমানায় সরে গিয়ে ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, তিন থানার সীমান্তবর্তী অবস্থানই জুয়ার কারবারিদের সবচেয়ে বড় শক্তি। ঘোড়াঘাট এলাকায় অভিযান চালানো হলে তারা নবাবগঞ্জ বা পীরগঞ্জ অংশে চলে যায়। আবার অন্য থানার অভিযান শুরু হলে মুহূর্তেই স্থান বদলে ফেলে। এ কারণে অধিকাংশ সময় মূল হোতা ও বড় জুয়ারুরা আইনের আওতার বাইরে থেকে যাচ্ছে।

সচেতন নাগরিকদের মতে, বিচ্ছিন্ন অভিযান এই চক্রের জন্য বড় কোনো বাধা নয়। বরং তিন থানার সমন্বিত, পরিকল্পিত ও একযোগে পরিচালিত যৌথ অভিযানই পারে জুয়ার আসরের মূল নেটওয়ার্ক ভেঙে দিতে। তাদের দাবি, গ্রেপ্তারের পর অনেক অভিযুক্ত দ্রুত জামিনে বেরিয়ে এসে পুনরায় একই কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছেন, যা আইন প্রয়োগের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করছে।

তারা আরও বলেন, জুয়ার বিস্তার শুধু অপরাধই বাড়াচ্ছে না, সামাজিক অবক্ষয়ও ত্বরান্বিত করছে। সহজে অর্থ উপার্জনের আশায় অনেক তরুণ এই চক্রে জড়িয়ে পড়ছেন। এতে পরিবারে অশান্তি, অর্থনৈতিক সংকট এবং সামাজিক অস্থিরতা বাড়ছে।

এ বিষয়ে ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, করতোয়া নদীর ওপারের তিন থানার সীমান্তবর্তী দুর্গম ও প্রত্যন্ত চরাঞ্চলের সুযোগ নিয়ে এই অবৈধ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, “জুয়ার বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ঘোড়াঘাট থানা পুলিশের একটি টিম সার্বক্ষণিকভাবে দায়িত্ব পালন করছে। এর আগে একাধিক অভিযান চালিয়ে কয়েকজনকে আটক করে মামলা করা হয়েছে। তবে স্থায়ীভাবে এই জুয়ার আসর বন্ধ করতে তিন থানার সমন্বিত ও নিয়মিত যৌথ অভিযান প্রয়োজন।”

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগ ও নিয়মিত নজরদারির মাধ্যমে করতোয়া নদীর চরাঞ্চলে গড়ে ওঠা এই জুয়ার সাম্রাজ্য ভেঙে দিয়ে এলাকার সামাজিক স্থিতিশীলতা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  

[bangla_date]

© ২০২৪-২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | স্বাধীন সূর্যোদয় | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট