1. news@gmail.com : IYASIN AHMED SHARIF : IYASIN AHMED SHARIF
  2. news_3@gmail.com : Nazmul Hassan : Nazmul Hassan
  3. lukmanmiah2619@gmail.com : news_shadhin :
  4. service.quickzone2@gmail.com : NUR ISLAM : NUR ISLAM
  5. news6@gmail.com : Sagor Talukder : Sagor Talukder
  6. shadhinsurjodoy@gmail.com : স্বাধীন সূর্যোদয় : স্বাধীন সূর্যোদয়
  7. service.quickzone@gmail.com : Tahmina akther : Tahmina akther
  8. info@www.shadhinsurjodoy.com : স্বাধীন সূর্যোদয় :
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৬ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি:
স্বাধীন সূর্যোদয় অনলাইন পত্রিকায় আপনাকে স্বাগতম। সারাদেশে জেলা ও  উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহী হলে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করুন। হোয়াটসঅ্যাপ: ০১৮৮৩-৩০৬০৪৮

বেনাপোল স্থলবন্দরে শুল্ক ফাঁকি চক্রের অন্যতম হোতা আজিম

মোঃ সিয়াম খান, (শার্শা উপজেলা প্রতিনিধি):
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৪

মোঃ সিয়াম খান, (শার্শা উপজেলা প্রতিনিধি):
বাংলাদেশের বৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোল বন্দরে দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা শুল্ক ফাঁকি চক্রের অন্যতম সদস্য আওয়ামী নেতা আজিম উদ্দীন গাজি। সে বেনাপোল পৌরসভাধীন দিঘিরপাড় গ্রামের মৃত আনসার গাজীর ছেলে ও বেনাপোল পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর।

গত মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর )স্থল বন্দরের ৪২ নং শেডে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা ২৮ টন ফেব্রিক্স বেনাপোল কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জব্দ করলে আজিমের থলের কালো বিড়াল বের হয়ে পড়ে।এ ঘটনার সুষ্ঠ তদন্তসহ জড়িতদের শাস্তি নিশ্চিতের দাবী জানিয়ে গণমাধ্যমে বিবৃতি দিয়েছেন এলাকাটির বিশিষ্ট জনেরা।

বেনাপোল কাস্টমস সূত্রে জানা যায়,পণ্য চালানটির আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ঢাকার গাজীপুর এলাকার শিশির নিটিং। ভারতের এস জে ফেব্রিক্স নামের প্রতিষ্ঠান থেকে ফেব্রিক্স চালানটি আমদানি করা হয়েছে। পণ্য চালানটির বিল অব এন্ট্রি নাম্বার- ১১০৭৬৯। মোট ৬৮১ প্যাকেজ পণ্যের ওজন ২৮ টন ৩০০ কেজি। আমদানি কারকের পক্ষে সি এন্ড এফ এজেন্ট আজিমের জারিন এন্টার প্রাইজ।

বেনাপোল কাস্টমস হাউসের অতিরিক্ত কমিশনার শরিফুল হাসান বেনাপোল স্থলবন্দরে মিথ্যা ঘোষণায় আনা পণ্য চালানটি জব্দের সত্যতা নিশ্চিত করে মুঠো ফোনে জানান,পোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভারত থেকে আসা পণ্য চালানটি বন্দরের শেডে ঢোকার পর পরই জব্দ করা হয়েছে। আমদানিকৃত পণ্য চালান বন্ড সুবিধায় আনা হলেও প্রাথমিক ভাবে মিথ্যা ঘোষণা প্রতিয়মান হয়েছে। পণ্য চালানটি কায়িক পরীক্ষা শেষে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বেনাপোল স্থলবন্দর সূত্রে জানা যায়,একই ধরনের অভিযোগে গত দুই মাস আগে স্থল বন্দরের ৪১ নং পণ্যগার হতে আমদানিকারকের পক্ষে আজিমের প্রতিষ্ঠান জারিন এন্টার প্রাইজ পণ্য খালাস নেওয়ার সময় কাস্টমস কর্তৃপক্ষ আটক করেন। সে সময়ও বিগত দিনের ন্যায় আজিম তার অবৈধ্য কালো টাকার প্রভাবে ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়।এমনকি কাস্টমস কর্তৃপক্ষের গৃহীত পদক্ষেপ নিয়েও সংবাদ প্রকাশ হয়নী।

অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠান জারিন এন্টারপ্রাইজের মালিক আজিমের মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি শুল্ক ফাঁকি চেষ্ঠায় জড়িত নন বলে দাবি করেন।

বেনাপোল বন্দরের শুল্ক ফাঁকি চক্রের অনুসন্ধানে স্থানীয় একাধিক সূত্র হতে জানা যায়,বেনাপোল ট্রান্সপোর্ট মালিক সমিতির সাধারন সম্পাদক হওয়ার সুবাধে শুল্ক ফাঁকি কাজে স্থলবন্দর ও কাস্টম হাউস হতে সে বিশেষ সুবিধা নিয়ে থাকে। এছাড়াও সে দলবদল করে সবসময় সরকারদলীয় রাজনিতীতে সরব থাকেন।

আওয়ামী নেতা আজিম তার রাজনৈতিক জীবন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি দিয়ে শুরু করলেও বিগত ৮ বছর ধরে ব্যবসায়িক ফয়দা লুটতে আওয়ামীলীগ দলে যোগ দিয়ে বড় নেতা বনে যান। এমনকি শেষ বেনাপোল পৌরসভার নির্বাচনে তিনি আওয়ামীলীগের মনোনয়নে প্রভাব বিস্তার করে কাউন্সিলর নির্বাচিত হন।

আজিমের বেনাপোল এলাকায় প্রথম পরিচিত ট্রান্সপোর্ট ব্যবসা দিয়ে।ভৈরব ট্রান্সপোর্ট এজেন্সি নামে তার একটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। আনুমানিক ১৯৯৫ সাল হতে তিনি স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যাক্তিদের ছত্রছায়ায় বেনাপোল স্থল বন্দরের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বন্দর হতে আমদানিকৃত পণ্য চোরদের শেল্টার দিয়ে এলাকায় আলোড়ন সৃষ্টি করেন।এ সুযোগে অসাধু আমদানিকারকরা পণ্য ছাড়ে বিশেষ সুবিধা নিতে আজিমের সাথে সখ্যতা গড়ে তোলেন।

রাজনৈতিক নেতাদের মদদ পুষ্ঠ হওয়ায় বিভিন্ন প্রশানিক কর্মকর্তাদের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে তিনি তৎকালীন সময়ে বল পূর্বক বা কর্মকর্তাদের ফাঁদে ফেলে বেনাপোল স্থলবন্দরের শেড হতে ভারত হতে আমদানিকৃত পণ্য চালান কাগজপত্র ছাড়াই বের করে নিয়ে স্বল্প সময়ে কোটি কোটি টাকাসহ অর্থ বিত্তের মালিক বনে গেছেন।

দুদক ও প্রশাসনের সুষ্ঠ তদন্তে আজিমের দীর্ঘ বৎসরের অপকর্মের ফিরিস্তি বের হয়ে আসবে বলে সূত্রটি আরো নিশ্চিত করেন।

বেনাপোলের স্থানীয় ও একাধিক রাজনৈতিক ব্যাক্তির সাথে কথা বলে জানা যায়, রাজনৈতিক পালা বদলে অনেক আওয়ামী নেতা এলাকা ছাড়লেও ধুরন্ধর আজিম রয়েছে বহাল তবিয়তে। ইতিমধ্যে ভোল পাল্টে বি এনপির রাজনিতীতে সক্রিয় হওয়ার পায়তারা চালাচ্ছে আজিম।

একাজে সে অবৈধ্য জমানো কালো টাকা ঢাল হিসাবে ব্যবহার করে স্থানীয় বিএনপির একাংশের নেতাদের সাথে সমঝোতা গড়ে সরকারী রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার মাধ্যমে সি এন্ড এফ ব্যবসা চালাচ্ছেন। এছাড়াও বেনাপোলের একাধিক শ্রমিক সংগঠনের সাথে যুক্ত থেকে কৌশলে এলাকায় টেন্ডার বাজি ও সড়কে টোল আদায়ের নামে চাঁদাবাজি মূলক কর্মকান্ড পরিচালনার গুঞ্জন রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 ১২
৩৪৫৬৭৮৯
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  

[bangla_date]

© ২০২৪-২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | স্বাধীন সূর্যোদয় | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট