
মোঃ ছায়েদ আলী শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি
আসন্ন সংসদীয় নির্বাচনে মৌলভীবাজার-৪ (কমলগঞ্জ- শ্রীমঙ্গল) আসনে নির্বাচনী প্রচারণায়(২৬ জানুয়ারী ২০২৬ই) প্রচারনা নতুন মেরুকরণ শুরু হয়েছে। ১০ দলীয় জোট মনোনীত জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী প্রীতম দাস তার প্রতীক ‘শাপলার কলি’ নিয়ে মাঠপর্যায়ে আজ বিকাল ৪ঘটিকায় শ্রীমঙ্গল শহরের বিভিন্ন সড়কে র্যালী ও ব্যাপক গণসংযোগ শুরু করেছেন। তার এই প্রচারণাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে নতুন উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। প্রচারণাকালে প্রীতম দাস কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গলের বিভিন্ন হাট-বাজার, পাড়া-মহল্লা এবং জনসমাগমস্থলে সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি কুশলবিনিময় করছেন। গণসংযোগকালে তিনি উন্নয়ন, টেকসই গণতন্ত্র এবং প্রান্তিক মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। বিশেষ করে এলাকার দীর্ঘদিনের অবহেলিত সমস্যাগুলো সমাধানের প্রতিশ্রুতি তার বক্তব্যে প্রাধান্য পাচ্ছে। নির্বাচনী এই প্রচারণায় এনসিপি ছাড়াও জোটভুক্ত দল হিসেবে জেলা যুবশক্তি, ছাত্রশক্তি ও শ্রমিকশক্তির নেতা-কর্মীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করছেন। নেতা-কর্মীদের স্লোগান, পোস্টার এবং লিফলেটে পুরো নির্বাচনী এলাকা এখন মুখর। জানা যায়, প্রীতম দাসের সহজ-সরল জীবনযাপন, স্পষ্টবাদিতা এবং নতুন ধারার রাজনীতির আহ্বান তরুণ ও সাধারণ ভোটারদের মাঝে আশার সঞ্চার করেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভোটারদের মৌলভীবাজার-৪ আসন মাঝে এই ক্রমবর্ধমান জনসম্পৃক্ততা মৌলভীবাজার-৪ আসনের নির্বাচনী সমীকরণে ‘শাপলার কলি’ প্রতীককে আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে। উন্নয়ন ও অধিকারের প্রশ্নে প্রীতম দাসের এই জয়যাত্রা শেষ পর্যন্ত ব্যালট বাক্সে কতটা প্রভাব ফেলে, এখন সেটিই দেখার অপেক্ষায় জেলাবাসী। প্রচারণাকালে প্রীতম দাস বলেন, ‘কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল পর্যটক এলাকায় বিভিন্ন সমস্যা আমি দেখেছি । সেসব এলাকায় আমি কাজ করব। যেমন-চা-শ্রমিক, খাসিয়া জনগোষ্ঠী, পর্যটন শিল্পে উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, রাস্তাঘাট, হাওড় টিলা, স্কুল-কলেজ। এসব ক্ষেত্রে আমরা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। বেকারদের কর্মসংস্থান ও শিক্ষীতদের চাকরির ব্যবস্থা, চা-শ্রমিকদের জন্য যা যা প্রয়োজন আমি তা করব। রাস্তাঘাট ও পর্যটন শিল্পকে বিকশিত করে আমার যা করণিয় সেটা করে যাব।