1. news@gmail.com : IYASIN AHMED SHARIF : IYASIN AHMED SHARIF
  2. news4@gmail.com : MEHEDI Hassan rana : MEHEDI Hassan rana
  3. news5@gmail.com : NAIMUL HAQUE : NAIMUL HAQUE
  4. news_3@gmail.com : Nazmul Hassan : Nazmul Hassan
  5. lukmanmiah2619@gmail.com : news_shadhin :
  6. shadhinsurjodoy@gmail.com : স্বাধীন সূর্যোদয় : স্বাধীন সূর্যোদয়
  7. info@www.shadhinsurjodoy.com : স্বাধীন সূর্যোদয় :
সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ০৪:৪১ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি:
স্বাধীন সূর্যোদয় অনলাইন পত্রিকায় আপনাকে স্বাগতম। সারাদেশে জেলা ও  উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহী হলে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করুন। হোয়াটসঅ্যাপ: ০১৮৮৩-৩০৬০৪৮

দোয়ারাবাজারে জালিয়াতির মাধ্যমে ‘পিতৃত্ব’ চাপিয়ে দেওয়ার অভিযোগ: প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

প্রতিবেদকের নাম :
  • প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৬

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি::


​সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে জালিয়াতির মাধ্যমে জন্ম নিবন্ধন তৈরি করে পিতৃত্ব চাপিয়ে দেওয়া এবং সম্পত্তি দখলের গভীর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মো. সায়রুজ্জামান সোহেল ভুক্তভোগী এক ব্যবসায়ী। তিনি দোয়ারাবাজার উপজেলা সদরের পশ্চিম মাছিমপুর গ্রামের বাসিন্দা ৩ সন্তানের জনক । তার দাবি, দীর্ঘকাল বিচ্ছিন্ন থাকা সত্ত্বেও এক নারী তার গর্ভজাত সন্তানকে এই ব্যবসায়ীর ‘ঔরসজাত’ দাবি করে উত্তরাধিকারী সাজানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছেন।

​শনিবার (৩১ জানুয়ারি) উপজেলা সদরে প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি এসব অভিযোগ করেন। ইতিমধ্যে প্রতিকার চেয়ে তিনি জেলা লিগ্যাল এইড কর্মকর্তার কার্যালয়ে লিখিত আবেদনও দাখিল করেছেন।

​সংবাদ সম্মেলনে ওই ব্যবসায়ী জানান, উপজেলার মান্নারগাঁও ইউনিয়নের কাটাখালী বাজারে তার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে আসা যাওয়ার সূত্রে ঢুলপশী গ্রামের কপিয়া বেগমের সাথে তার পরিচয় হওয়ার পর পরিস্থিতির চাপে ওই নারীর সঙ্গে তার বিবাহ সম্পন্ন হয়েছিল। তবে বিয়ের অল্পকাল পরেই তিনি জানতে পারেন ওই নারী পূর্বেই বিবাহিত ছিলেন এবং তার জীবনযাপন বিতর্কিত ছিল। অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ায় তিনি স্ত্রীর সঙ্গে সকল প্রকার যোগাযোগ ও দাম্পত্য সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করে দেন।

​ভুক্তভোগীর মূল অভিযোগগুলো হলো: দাম্পত্য সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন থাকা অবস্থায় ওই নারী একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দেন (বর্তমান বয়স ৭ বছর)। ভুক্তভোগী স্পষ্টভাবে জানান, তিনি এই সন্তানের জৈবিক পিতা নন। তার বিনা অনুমতিতে ও অগোচরে জাল কাগজপত্রের মাধ্যমে জন্ম নিবন্ধনে তার নাম ‘পিতা’ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। এই সনদ ব্যবহার করেই সন্তানকে মাদ্রাসায় ভর্তি করা হয়। ভুক্তভোগীর দাবি, মূলত তার স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির উত্তরাধিকারী সাজিয়ে সম্পদ আত্মসাৎ করার লক্ষ্যেই ওই নারী এই জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছেন।

​সংবাদ সম্মেলনে সায়রুজ্জামান বলেন, ‘আমাকে সামাজিকভাবে হেয় করতে এবং আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে এই সাজানো নাটক করা হচ্ছে। আমি এই অবৈধ অভিভাবকত্বের দায়ভার থেকে মুক্তি চাই।’ তিনি প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনে প্রয়োজনে ডিএনএ টেস্টসহ আইনি তদন্তের দাবি জানান এবং প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

​সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকরা বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত জানতে চাইলে তিনি সকল তথ্য-প্রমাণ লিগ্যাল এইড কার্যালয়ে জমা দিয়েছেন বলে নিশ্চিত করেন।

​তবে জানতে চাইলে অভিযুক্ত মহিলা সব সত্যতা অস্বীকার করে বলেছেন, সন্তান সায়রুজ্জামানের। তার সাথে আমার ডিভোর্স হয়ে গেছে, সে একজন নারী লোভী এখন সে সন্তানকেও অস্বীকার করছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  

[bangla_date]

© ২০২৪-২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | স্বাধীন সূর্যোদয় | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট