
জেলা প্রতিনিধি মোঃ ইব্রাহিম হাওলাদার
চট্টগ্রাম আনোয়ারা ঝুলন্ত অবস্থায় সুমি আক্তার (১৯) ও তার দুই বছরের শিশু ওয়াজিহা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার উপজেলা বৈরাগ ইউনিয়ন গুয়াপঞ্চক আশ্রয়ন প্রকল্প থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় সুমি আক্তার স্বামী মো: মিজানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করছে পুলিশ
সুমি আক্তার কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা ইউনিয়নের মৃত নুরুল ইসলামের মেয়ে। আর মিজান পটিয়া উপজেলায় গেরামে মালিয়ারা এলাকায় মো: মোহাম্মদ আলী ছেলে। কয়েক বছর থেকে তার পরিবার নিয়ে গুচ্ছগ্রাম আশ্রয়ন প্রকল্পে বসবাস করে আসছে। ঘটনার পর সুমি আক্তার শাশুড়ি পালিয়ে গেছে বলে জানিয়েছে আত্মীয়-স্বজন। ঘটনা পর সন্ধ্যা সাড়ে (৭) টায় পুলিশ লাশ উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ( চমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে জানা গিয়েছে
সুমির ভাগ্নে পতি মো; এনামুল হক বলেন,তিনি বছর আগে সুমির সঙ্গে মিজানের পরিবার পরিকল্পিতভাবে বিবাহ হয় । গুচ্ছগ্রামে মা- ও স্ত্রী – সন্তান নিয়ে মিজান বসবাস করে আসছে। তবে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে প্রায় সময় ঝগড়া বিবাদ হতো। কিছুদিন আগের স্বর্ণ বন্ধক নিয়ে যাওয়া হয় বিকেলে আমার শাশুড়িকে ফোন করে জানান সুমি ও তার মেয়ে নাকি আত্ম হত্যা করেছে। এটা জানার পর আমি গঠনের স্থানে এসে দেখি ওড়নায়ঝুলছিল মা ও মেয়ের লাশ এই ঘটনা দেখে পাড়া-প্রতিবেশীকে ডাক দি তখনই আনোয়ারা থানায় যোগাযোগ করি তারা ফোর্স নিয়ে লাশ দুইজনকে উদ্ধার করে
তিনি বলেন, পরিকল্পিত হত্যাকান্ড। ঘটনার পর মিজান ও তার মা পালিয়ে যায় কিছুক্ষণ পর মিজানকে পাওয়া গেলেও তার মা ফালাতক রয়েছে পুলিশের নাকের ডগা থেকে পলাতক
রয়েছে মিজানের মা ঘটনায় আমরা আইনি পদক্ষেপ প্রশাসনের কাছে অনুরোধ
সুমির মা হোসনে আারা বেগম (৭০) অভিযোগ করেন বলেন। বিকেলে মিজানের ফোন করে বলতে থাকে, আমার মেয়ে আর নাতনি মারা গেছে। এসময় আমি আমার মেয়ের কান্না জড়িত ( গলা টিপে ধরার) , কণ্ঠস্বর শুনতে পাইছিলাম মোবাইলে। আমি তাকে বলছি, মোবাইলটা আমার মেয়েকে দাওয়া জন্য সে দেয়নি কিছুক্ষণ পর শুনি দুজনে মারা গেছে। আমার মেয়ে আর নাতনিকে ও মা কে হত্যা করা হয়েছে আমি তাদের বিচার চাই, প্রশাসন ও উপার মহলের কাছে
স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ ইদ্রিস বলেন। তার তার স্বামী আমাকে ফোন দিয়ে জানান তার স্ত্রী ও মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। এটি শোনার পর আমি ঘটনায় স্থানে এসে ও পুলিশকে জানাই
এই বিষয়টি আনোয়ার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুনায়েত চৌধুরী বলেন,পুলিশ ঘটনার স্থান থেকে মা ও মেয়েকে দুজন খেলা সুন্দর করেছে মর্গে পাঠিয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মিজানকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে পুলিশ এই ঘটনা পরবর্তীতে আইনত ব্যবস্থা নিবে ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি