1. service.quickzone6@gmail.com : Abdur_Rahim Abdur_Rahim : Abdur_Rahim Abdur_Rahim
  2. service.quickzone5@gmail.com : Belal_Hussen Belal_Hussen : Belal_Hussen Belal_Hussen
  3. news@gmail.com : IYASIN AHMED SHARIF : IYASIN AHMED SHARIF
  4. service.quickzone3@gmail.com : MD KAMRUL ISLAM : MD KAMRUL ISLAM
  5. service.quickzone4@gmail.com : Mahfujur Rahman : Mahfujur Rahman
  6. news_3@gmail.com : Nazmul Hassan : Nazmul Hassan
  7. lukmanmiah2619@gmail.com : news_shadhin :
  8. service.quickzone2@gmail.com : NUR ISLAM : NUR ISLAM
  9. news6@gmail.com : Sagor Talukder : Sagor Talukder
  10. shadhinsurjodoy@gmail.com : স্বাধীন সূর্যোদয় : স্বাধীন সূর্যোদয়
  11. service.quickzone@gmail.com : Tahmina akther : Tahmina akther
  12. info@www.shadhinsurjodoy.com : স্বাধীন সূর্যোদয় :
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৩ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি:
স্বাধীন সূর্যোদয় অনলাইন পত্রিকায় আপনাকে স্বাগতম। সারাদেশে জেলা ও  উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহী হলে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করুন। হোয়াটসঅ্যাপ: ০১৮৮৩-৩০৬০৪৮

মহেশখালীর শিক্ষক, কুমিল্লার মেডিকেল সেন্টারের পরিচালক: প্রশ্নের মুখে এমপিও বেতন

প্রতিবেদকের নাম :
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬

 

কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নের জেম ঘাটে অবস্থিত জলেয়ারমার ঘাট আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়-এর সহকারী শিক্ষক (গণিত) পদে কর্মরত রাশেদুল হাছান ফরাজীকে ঘিরে নানা অনিয়ম, দায়িত্বে অবহেলা ও সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিত না থেকেও সরকারি বেতন-ভাতা গ্রহণ করে আসছেন।

তথ্যানুসারে, রাশেদুল হাছান ফরাজী, ইনডেক্স নং N56853231 এবং পিডিএস নং 101586781-এর অধীনে কর্মরত একজন এমপিওভুক্ত গণিত শিক্ষক। তাঁর প্রথম যোগদানের তারিখ ৩১ জানুয়ারি ২০০৪। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, তিনি দীর্ঘদিন ধরেই শিক্ষকতার চেয়ে ব্যক্তিগত ব্যবসা ও চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় বেশি সক্রিয়। তিনি নিয়মিত শাহ জালাল মেডিকেল সেন্টার-কুমিল্লা এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এলাকাবাসীর প্রশ্ন, একজন পূর্ণকালীন এমপিওভুক্ত শিক্ষক কীভাবে একই সঙ্গে একটি বেসরকারি মেডিকেল প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন।

এ বিষয়ে অতীতেও বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। অভিযোগ রয়েছে, তিনি নিয়মিত ইএফটির মাধ্যমে সরকারি বেতন-ভাতা গ্রহণ করে আসছেন, অথচ বিদ্যালয়ে তাঁর উপস্থিতির বাস্তব চিত্র নিয়ে রয়েছে গুরুতর প্রশ্ন। দীর্ঘ বছর বিদ্যালয়ে উপস্থিত না থেকেও সরকারি অর্থ গ্রহণ করাকে কেবল প্রশাসনিক অনিয়ম নয়, বরং সরকারি অর্থ আত্মসাতের সামিল বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

এদিকে, বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ কাইচার লিটনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতির বক্তব্যও পাওয়া যায়নি। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘ সময় ধরে একজন শিক্ষক বিদ্যালয়ে উপস্থিত না থাকলেও কেন তাঁর পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়নি এবং কীভাবে নিয়মিত বেতন উত্তোলন হয়েছে, তা নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।

আরও অভিযোগ রয়েছে, বিদ্যালয়টি ২০২২ সালের ৬ জুলাই নিম্ন মাধ্যমিক পর্যায়ে এমপিওভুক্ত হলেও সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের নাম কেবল ২০২২ সালের ব্যানবেইস জরিপে দেখা যায়। এতে পুরো এমপিও প্রক্রিয়া ও বেতন উত্তোলন নিয়ে নতুন করে সন্দেহ সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব অনিয়ম ও জালিয়াতির পেছনে বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ কাইচার লিটনের ভূমিকা তদন্তের দাবি রাখে। উল্লেখ্য, তাঁর বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে সি আর মামলা নং ১১৩/২০২৬ তদন্তাধীন রয়েছে, যেখানে তিনি অন্যতম প্রধান বিবাদী।

দীর্ঘদিন গণিত শিক্ষকের অনুপস্থিতিতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পাঠদানে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন অভিভাবকরা। এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য উদঘাটন করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 ১২
৩৪৫৬৭৮৯
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  

[bangla_date]

© ২০২৪-২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | স্বাধীন সূর্যোদয় | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট