1. mdkukon685@gmail.com : Abdus Salam : Abdus Salam
  2. news@gmail.com : IYASIN AHMED SHARIF : IYASIN AHMED SHARIF
  3. news_8@gmail.com : Mehedi Hasan Rana : Mehedi Hasan Rana
  4. news5@gmail.com : NAIMUL HAQUE : NAIMUL HAQUE
  5. news_3@gmail.com : Nazmul Hassan : Nazmul Hassan
  6. lukmanmiah2619@gmail.com : news_shadhin :
  7. news6@gmail.com : Sagor Talukder : Sagor Talukder
  8. news_11@gmail.com : Sajedur Rahman : Sajedur Rahman
  9. shadhinsurjodoy@gmail.com : স্বাধীন সূর্যোদয় : স্বাধীন সূর্যোদয়
  10. info@www.shadhinsurjodoy.com : স্বাধীন সূর্যোদয় :
রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৭:২১ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি:
স্বাধীন সূর্যোদয় অনলাইন পত্রিকায় আপনাকে স্বাগতম। সারাদেশে জেলা ও  উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহী হলে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করুন। হোয়াটসঅ্যাপ: ০১৮৮৩-৩০৬০৪৮

জলেয়ারমার ঘাট স্কুল ইস্যুতে জেলা শিক্ষা অফিসার গোলাম মোস্তফা ঘিরে নতুন বিতর্ক

প্রতিবেদকের নাম :
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬

 

কক্সবাজার প্রতিনিধি 

 

জলেয়ারমার ঘাট আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে কক্সবাজার জেলা শিক্ষা অফিসার গোলাম মোস্তফা একতরফা তদন্ত, প্রশাসনিক অনিয়ম এবং বিতর্কিত মন্তব্যের অভিযোগে আবারও সমালোচনার মুখে পড়েছেন।

অভিযোগ রয়েছে, ১৪/০১/২০২৬ তারিখে ডি.আই.এ তদন্তের পর মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে ২০/০১/২০২৬ তারিখে জেলা শিক্ষা অফিসার গোলাম মোস্তফা একটি তদন্ত প্রতিবেদন প্রদান করেন। এতে বিবাদীপক্ষকে যথাযথ নোটিশ নিশ্চিত না করেই মতামত দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একই প্রতিবেদনে মুহাম্মদ তোয়াহার উদ্দিনের নামও অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যদিও তিনি ৩০/০৮/২০২৪ থেকে সাময়িক বরখাস্ত অবস্থায় রয়েছেন বলে জানা গেছে।

সি.আর মামলা নং ১১৩/২০২৬–এর অধীনে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ডিজি প্রতিনিধি হিসেবে তার দায়িত্ব নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

আরও অভিযোগ রয়েছে, বিদ্যালয়টি মহেশখালী উপজেলায় অবস্থিত হলেও প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কার্যক্রম চকরিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে সম্পন্ন করা হয়েছে, যা নিয়ে স্বচ্ছতা ও বিধি অনুসরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সংশ্লিষ্টরা।

অন্যদিকে দুদক অভিযোগ নং ০৫/২০২৪–এ, মুহাম্মদ তোয়াহার উদ্দিন কর্তৃক দায়েরকৃত মামলায় জেলা শিক্ষা অফিসার গোলাম মোস্তফার নাম অভিযুক্ত হিসেবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট নথিতে দেখা যায়।

এছাড়া অভিযোগকারীদের দাবি, মুহাম্মদ তোয়াহার উদ্দিন সাবেক প্রধান শিক্ষকের আমলে কোনো বেতন-ভাতা গ্রহণ করেননি; তিনি যে বেতন-ভাতা পেয়েছেন তা বর্তমান প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ কাইচার লিটনের আমলের নিয়মিত প্রাপ্য ছিল। অথচ তদন্ত প্রতিবেদনে “টাকা আত্মসাৎ” উল্লেখ করে জেলা শিক্ষা অফিসার গোলাম মোস্তফা ভিত্তিহীন ও মানহানিকর মন্তব্য করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

অভিযোগকারীদের দাবি, এ ধরনের মন্তব্য কোনো নিরপেক্ষ যাচাই ছাড়াই করা হয়েছে, যা প্রশাসনিক ন্যায়বিচার ও পেশাগত দায়িত্বের পরিপন্থী। তারা প্রতিবেদনটি প্রত্যাহার করে নিরপেক্ষ উচ্চ পর্যায়ের তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

 

এলাকাবাসীর দাবি, পুরো বিষয়টি নিরপেক্ষ তদন্তের আওতায় এনে শিক্ষা প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি। তবে এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা অফিসার বা সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

[bangla_date]

© ২০২৪-২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | স্বাধীন সূর্যোদয় | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট