1. mdkukon685@gmail.com : Abdus Salam : Abdus Salam
  2. news@gmail.com : IYASIN AHMED SHARIF : IYASIN AHMED SHARIF
  3. news_8@gmail.com : Mehedi Hasan Rana : Mehedi Hasan Rana
  4. news5@gmail.com : NAIMUL HAQUE : NAIMUL HAQUE
  5. news_3@gmail.com : Nazmul Hassan : Nazmul Hassan
  6. lukmanmiah2619@gmail.com : news_shadhin :
  7. news6@gmail.com : Sagor Talukder : Sagor Talukder
  8. news_11@gmail.com : Sajedur Rahman : Sajedur Rahman
  9. shadhinsurjodoy@gmail.com : স্বাধীন সূর্যোদয় : স্বাধীন সূর্যোদয়
  10. info@www.shadhinsurjodoy.com : স্বাধীন সূর্যোদয় :
রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৭:২০ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি:
স্বাধীন সূর্যোদয় অনলাইন পত্রিকায় আপনাকে স্বাগতম। সারাদেশে জেলা ও  উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহী হলে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করুন। হোয়াটসঅ্যাপ: ০১৮৮৩-৩০৬০৪৮

জোরপূর্বক স্বীকারোক্তির অভিযোগ নতুন বিতর্ক, আগের পদত্যাগ কাণ্ডে চলমান মামলা

প্রতিবেদকের নাম :
  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬

 

কক্সবাজার প্রতিনিধি

 

মহেশখালীর শাপলাপুর ইউনিয়নের জলেয়ারমার ঘাট আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে আবারও প্রশাসনিক বিতর্ক সামনে এসেছে। এবার অভিযোগ উঠেছে, বিদ্যালয়ের দুই কর্মচারীর কাছ থেকে জোরপূর্বক স্বীকারোক্তিমূলক ও ক্ষমাপত্র নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষক-কর্মচারী, অভিভাবক ও স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

 

 

অভিযোগকারীদের দাবি, পূর্বপ্রস্তুতকৃত একটি লিখিত কাগজে কর্মচারীদের দিয়ে স্বাক্ষর নেওয়ার চেষ্টা করা হয়, যেখানে প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ স্বীকার, ভবিষ্যতে এমন কর্মকাণ্ডে জড়িত না থাকার অঙ্গীকার এবং প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে কোনো লেনদেন নেই বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

 

স্থানীয়দের মতে, এ ঘটনা নতুন নয়। এর আগেও বিদ্যালয়ে জোরপূর্বক পদত্যাগপত্র নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। সেই ঘটনায় বর্তমানে সি আর মামলা নং ১১৩/২০২৬ বিচারাধীন রয়েছে বলে জানা গেছে। ফলে নতুন করে স্বীকারোক্তি আদায়ের অভিযোগ সামনে আসায় বিদ্যালয়টির প্রশাসনিক কার্যক্রম নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

 

 

একাধিক অভিভাবক ও সচেতন ব্যক্তি অভিযোগ করেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ কাইচার লিটনের কর্মকাণ্ড দেখে মনে হয় যেন বিদ্যালয়ের একক প্রশাসন তিনিই পরিচালনা করছেন। ম্যানেজিং কমিটি, প্রশাসনিক প্রক্রিয়া কিংবা বিধিবিধানের তোয়াক্কা না করেই বিভিন্ন সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার প্রবণতা রয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠে।

 

 

স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, কোনো কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা তদন্ত, কারণ দর্শানো নোটিশ ও ন্যায়সঙ্গত শুনানির মাধ্যমে নিষ্পত্তি হওয়া উচিত। ভয়ভীতি বা চাকরি হারানোর আশঙ্কা দেখিয়ে স্বীকারোক্তি বা পদত্যাগপত্র নেওয়ার অভিযোগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।

 

 

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ কাইচার লিটনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

 

এলাকাবাসী ও অভিভাবকরা শিক্ষা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ এবং নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

[bangla_date]

© ২০২৪-২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | স্বাধীন সূর্যোদয় | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট