1. service.quickzone6@gmail.com : Abdur_Rahim Abdur_Rahim : Abdur_Rahim Abdur_Rahim
  2. service.quickzone5@gmail.com : Belal_Hussen Belal_Hussen : Belal_Hussen Belal_Hussen
  3. news@gmail.com : IYASIN AHMED SHARIF : IYASIN AHMED SHARIF
  4. service.quickzone3@gmail.com : MD KAMRUL ISLAM : MD KAMRUL ISLAM
  5. service.quickzone4@gmail.com : Mahfujur Rahman : Mahfujur Rahman
  6. news_3@gmail.com : Nazmul Hassan : Nazmul Hassan
  7. lukmanmiah2619@gmail.com : news_shadhin :
  8. service.quickzone2@gmail.com : NUR ISLAM : NUR ISLAM
  9. news6@gmail.com : Sagor Talukder : Sagor Talukder
  10. shadhinsurjodoy@gmail.com : স্বাধীন সূর্যোদয় : স্বাধীন সূর্যোদয়
  11. service.quickzone@gmail.com : Tahmina akther : Tahmina akther
  12. info@www.shadhinsurjodoy.com : স্বাধীন সূর্যোদয় :
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩৪ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি:
স্বাধীন সূর্যোদয় অনলাইন পত্রিকায় আপনাকে স্বাগতম। সারাদেশে জেলা ও  উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহী হলে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করুন। হোয়াটসঅ্যাপ: ০১৮৮৩-৩০৬০৪৮

জাল সনদ, অবৈধ নিয়োগ ও আর্থিক অনিয়মে বিপর্যস্ত একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

প্রতিবেদকের নাম :
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

কক্সবাজার প্রতিনিধি


কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার জালিয়ামারা ঘাট আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলমান বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে নড়েচড়ে বসেছে শিক্ষা প্রশাসন। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রাম কর্তৃক গঠিত তদন্ত কমিটির মাধ্যমে এসব অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা যাচাইয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষকসহ স্থানীয়দের লিখিত অভিযোগে উঠে এসেছে—অবৈধ নিয়োগ, জাল সনদ ব্যবহার, সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে এমপিও সুবিধা গ্রহণ, ব্যাংক হিসাবের অনিয়ম, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহারের একাধিক ঘটনা।
অভিযোগ অনুযায়ী, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগ সংক্রান্ত বিধি উপেক্ষা করে নিজের ইচ্ছামতো শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ দিয়েছেন। কিছু ক্ষেত্রে নিয়োগপ্রাপ্তদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও বিষয় সংশ্লিষ্টতা প্রশ্নবিদ্ধ। এমনকি জাল সনদ ব্যবহার করে সরকারি বেতন-ভাতা গ্রহণের অভিযোগও রয়েছে। এতে রাষ্ট্রের বিপুল অর্থ আত্মসাৎ হয়েছে বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন।
এছাড়া বিদ্যালয়ের ব্যাংক হিসাব পরিচালনায় স্বচ্ছতার অভাব, সরকারি অনুদান ও বিভিন্ন প্রকল্পের অর্থ যথাযথভাবে ব্যবহার না করা, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অনুমোদনহীন ফি আদায় এবং ল্যাব ও অবকাঠামো উন্নয়নের নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রাম থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে দুই সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন—অন্তর্বোর্ডের একজন সহকারী সচিব ও একজন সহকারী বিদ্যালয় পরিদর্শক। তদন্ত কমিটিকে অভিযোগসমূহ সরেজমিনে যাচাই করে বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের অনিয়ম শুধু প্রশাসনিক ব্যর্থতাই নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সঙ্গে সরাসরি প্রতারণা। শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হলে তার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়ে সমাজ ও রাষ্ট্রের ওপর।
অভিযোগকারী পক্ষ নিরপেক্ষ ও দৃষ্টান্তমূলক তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের ভাষায়, “দুর্নীতির বিরুদ্ধে দাঁড়ানো মানেই শিক্ষার পক্ষে দাঁড়ানো। যদি এখনই ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে এমন অনিয়ম আরও উৎসাহ পাবে।”
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তদন্ত শেষে প্রাপ্ত প্রতিবেদনের আলোকে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শিক্ষাঙ্গনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এই তদন্তকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবে দেখছেন স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহল।
দুর্নীতিকে না বলুন—এটাই এখন শিক্ষাব্যবস্থাকে বাঁচানোর একমাত্র পথ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 ১২
৩৪৫৬৭৮৯
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  

[bangla_date]

© ২০২৪-২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | স্বাধীন সূর্যোদয় | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট