
মোঃ কামরুল ইসলাম রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ
তেল পাম্প ছেড়ে প্রশাসনিক কার্যালয়ে ভিড়; কেউ পাচ্ছেন কার্ড, কেউ ফিরছেন হতাশ হয়ে
সিরাজগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ফুয়েল কার্ড সংগ্রহকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক কার্যালয়গুলোতে মোটরসাইকেল চালকদের ভিড় বেড়েছে। তেল পাম্পে নয়, এখন বাইকারদের দীর্ঘ সারি দেখা যাচ্ছে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয় ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) অফিসের সামনে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়ে কেউ কার্ড পেলেও অনেকেই ফিরে যাচ্ছেন খালি হাতে, ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা তৈরি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে সকাল থেকেই শত শত বাইকারকে ফুয়েল কার্ড সংগ্রহের জন্য অপেক্ষা করতে দেখা যায়। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা মোটরসাইকেল চালকেরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ফুয়েল কার্ড পাওয়ার আশায় অনেকেই সকাল থেকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছেন। কেউ কার্ড পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করলেও, অনেকেই কার্ড না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন।
একজন মোটরসাইকেল চালক জানান, “সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি, কিন্তু এখনও কার্ড পাইনি। কাগজপত্র ঠিক থাকলেও সবাই পাচ্ছে না—এতে অনেকের মধ্যেই অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।”
প্রশাসনের বক্তব্য:
এ বিষয়ে রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল খালেক পাটোয়ারী বলেন,
“যাদের কাগজপত্র সঠিক রয়েছে, তাদের ফুয়েল কার্ড সরবরাহ করা হচ্ছে। এখানে কোনো ধরনের অনিয়ম করা হচ্ছে না। যাচাই-বাছাই করে ধাপে ধাপে কার্ড বিতরণ করা হচ্ছে।”
ব্যাকগ্রাউন্ড:
জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে মোটরসাইকেল চালকদের জন্য নির্ধারিত ফুয়েল কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর থেকেই প্রশাসনিক কার্যালয়গুলোতে বাইকারদের উপস্থিতি বেড়ে গেছে। জেলার বিভিন্ন উপজেলায় একই ধরনের চিত্র দেখা যাচ্ছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সঠিক তথ্য ও কাগজপত্র যাচাই করে পর্যায়ক্রমে ফুয়েল কার্ড বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
প্রতিবেদন:
মোঃ কামরুল ইসলাম
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি